
কলকাতা: তিনি রাজ্যের ক্যাবিনেট মন্ত্রী। গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব তাঁর কাঁধে। আর সেই অগ্নিমিত্রা পাল বলছেন, দলের (বিজেপির) সব বিষয়ে মন্তব্য করার অধিকার তাঁর নেই। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে এনসিপিআই সাংসদদের বৈঠক নিয়ে মন্তব্য করতে চান না জানিয়ে একথা স্পষ্ট করে দেন তিনি। একইসঙ্গে আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক জানিয়ে দেন, তাঁদের দলের কাছে দেশ আগে।
কী বললেন অগ্নিমিত্রা পাল?
মঙ্গলবার নয়াদিল্লির বঙ্গভবনে এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক করছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। তা নিয়েই এদিন অগ্নিমিত্রা প্রতিক্রিয়া জানতে চেয়েছিল সংবাদমাধ্যম। তখনই তিনি বলেন, “আমি বলতে পারব না। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী, আমাদের শীর্ষ নেতৃত্ব রয়েছেন। সব বিষয়ে মন্তব্য করার অধিকার আমাদের দলে নেই। হতে পারে আমি একজন বিধায়ক, দল আমাকে মন্ত্রী করেছে। তার মানে এটা নয় যে দলের যেকোনও বিষয়ে আমি বিশেষ মন্তব্য করব। এই অধিকার বিজেপি কাউকে দেয়নি। শীর্ষ নেতৃত্ব রয়েছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী রয়েছেন। তাঁরা সিদ্ধান্ত নেবেন।”
বিজেপির কাছে দেশ আগে জানিয়ে তিনি বলেন, “আগামিদিনে দলের জন্য কী ভালো হবে, দেশের জন্য কী ভালো হবে, রাজ্যের জন্য কী হবে, সেটাই আগে। দেশ আগে। আগে দেশকে বাঁচাতে হবে। তারপর এইসব রাজনীতি।”
রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শশী পাঁজার রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে নানা জল্পনা চলছে। এনসিপিআই সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের সঙ্গে শশী পাঁজার ঘনিষ্ঠতার জেরে জল্পনা বাড়ছে। এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে অগ্নিমিত্রা বলেন, “কে কোথায় যাচ্ছে, কোথায় আসছে, আমি সত্যিই ইন্টারেস্টেড নই। আমরা যারা মুখ্যমন্ত্রীর টিমে আছি, সারাদিন সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলছি। কোথায় কী উন্নয়ন করা যায়। কোথায় ফ্লাইওভার করা যায়। ২০২৭ সালের মধ্যে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টটা করতে হবে রাজ্যজুড়ে। কাজের চাপে মাথা তোলা যাচ্ছে না। কে অন্য দলে যাচ্ছে, কে নতুন দল করছে, কে আবার নতুন লোগো ডিজাইন করছে, এতে আমাদের কোনও সময় নেই।”