
কলকাতা: মসজিদে মাইক খোলার অভিযোগ তুলে জনস্বার্থ মামলা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। আজ, বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানি ছিল। কেন মাইক খোলা হল, তা নিয়ে চলে জোর সওয়াল। মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল। সেই সওয়াল-জবাবের শেষে আচমকা শুরু হয়ে যায় উত্তপ্ত বাদানুবাদ। বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র, অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য ও আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়।
এজলাসে তখনও বসে বিচারপতি। এজি কল্যাণের উদ্দেশে বলেন, “দিদির কাছে ধমক খাচ্ছে, তাই হয়ত এজলাসে এমন আচরণ। চটিচাটা।” এরপরই এএজি বিল্বদল ও এজিকে লক্ষ্য করে কল্যাণ মন্তব্য করেন, “আমি চটিচাটা হলে তুমি বুটচাটা।” এদিকে, এএজি বলেন, ‘এইজন্যই পার্লামেন্টে সাসপেন্ড হয়েছেন কল্যাণ বন্দোপাধ্যায়।’ কল্যাণ জবাব দেন, “আমি মোদী ও অমিত শাহের বিরুদ্ধে সরব হই বলে আমাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।”
বিচারপতির উদ্দেশে বিল্বদল ভট্টাচার্য বলে ওঠেন, ‘ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হচ্ছে মাই লর্ড।’ এরপর ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী কোনওমতে বিষয়টা সামাল দেন।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি অতরূপ বন্দোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে ছিল মামলার শুনানি। ১৮ অগস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। কোন জেলা থেকে, কোন মসজিদ থেকে মাইক খোলা হল, সেই তথ্য জানতে চান ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী। নির্দিষ্ট তথ্য দিতে হবে বলে জানান তিনি।