Jadavpur University: জাতীয়তাবাদী সম্মেলনের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনও সম্পর্ক নেই: যাদবপুরের ভি সি
ত্রিগুণা সেন অডিটোরিয়ামে এই জাতীয়তাবাদী সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। তার আগে অরবিন্দ ভবন থেকে বন্দে মাতরম যাত্রাও হওয়ার কথা। সেখানে শমীক ভট্টাচার্য, স্বপন দাশগুপ্তের মতো নেতাদের উপস্থিত থাকার কথা। হরিপদ ভারতী স্মৃতিরক্ষা সমিতির উদ্যোগে এই আয়োজন করা হয়েছে।

কলকাতা: কয়েকদিন আগেই ছাত্র সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। সেই আবহ এখন রয়েছে। বারবার দেওয়ালের রঙ লেখা মুছে দেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার যাদবপুর ক্যাম্পাসের ভিতরে থাকা অডিটোরিয়ামে জাতীয়তাবাদী সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, জাতীয়তাবাদী সম্মেলনের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনও সম্পর্ক নেই।
ত্রিগুণা সেন অডিটোরিয়ামে এই জাতীয়তাবাদী সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। তার আগে অরবিন্দ ভবন থেকে বন্দে মাতরম যাত্রাও হওয়ার কথা। সেখানে শমীক ভট্টাচার্য, স্বপন দাশগুপ্তের মতো নেতাদের উপস্থিত থাকার কথা। হরিপদ ভারতী স্মৃতিরক্ষা সমিতির উদ্যোগে এই আয়োজন করা হয়েছে।
বুধবার উপাচার্য জানান, জাতীয়তাবাদী সম্মেলন বা বন্দে মাতরম যাত্রার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনও সম্পর্ক নেই। বিশ্ববিদ্য়ালয় কর্তৃপক্ষ ওই অনুষ্ঠানের অনুমতি দিয়েছে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, “হাইকোর্টের রায় ছিল, ক্যাম্পাসে কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তি সেমিনারে অংশ নিতে পারবে না। ত্রিগুণা সেন অডিটোরিয়ামকে আমরা বলেছি, ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠান করতে গেলে কিছু নিয়ম মানতে হবে। পরেরবার থেকে বুকিং-এর সময় নিয়ম মেনে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।”
উল্লেখ্য, উল্লেখ্য, ২০২৫-এর মার্চ মাসে রাজ্যের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু একটি সম্মেলেন যোগ দিতে গেলে, তাঁকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ হয়। তাঁর কনভয় বেরনোর সময় গাড়ির ধাক্কায় কয়েকজন শিক্ষার্থী আহতও হন। এরপর মন্ত্রীর গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। ওই ঘটনার পর হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা হয়। সেই সময়েই যাদবপুরে রাজনৈতিক ব্যক্তির প্রবেশ নিয়ে নির্দেশ দেয় আদালত।
