
কলকাতা: একুশে জুলাই তৃণমূলের শহিদ দিবসকে ঘিরে এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ‘নব তৃণমূল’ বা বিরোধী শিবিরের মধ্যে তীব্র দড়ি টানাটানি ও রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব। ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউস চত্বরে দুই শিবিরকেই সভার অনুমতি দেওয়া হয়নি কলকাতা পুলিশ। এই নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। কিন্তু ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিল, তাদের শিবির একুশে জুলাই করবে গান্ধী মূর্তিতে।
এবার তৃণমূলের নতুন রাজ্য সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বর্ষীয়ান নেতা বিপ্লব মিত্রকে। একই সঙ্গে দলের নতুন কার্যকরী সভাপতি পদে মনোনীত হয়েছেন জাভেদ খান। নতুন এই সাংগঠনিক রদবদলে জাতীয় ও রাজ্য স্তরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে নতুন মুখ নিয়ে আসা হয়েছে,
জাতীয় স্তরে: চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য পদ পেয়েছেন। জাতীয় কর্মসমিতির রাজ্য সভাপতি হয়েছেন বিপ্লব মিত্র।
সাধারণ সম্পাদক: দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ সম্পাদক পদের দায়িত্ব পেয়েছেন স্নেহাশিস চক্রবর্তী।
যুব ও মহিলা সংগঠন: যুব সভাপতি করা হয়েছে আনিসুর রহমান বিদেশকে এবং যুব কার্যকরী সভাপতি হয়েছেন সৌরভ বসু। অন্যদিকে, মহিলা সভাপতি পদে সাবিনা ইয়াসমিন এবং কার্যকরী সভাপতি পদে শিউলি সাহা দায়িত্ব পেয়েছেন।
ছাত্র ও অন্যান্য সেল: ছাত্র পরিষদের চেয়ারপারসন হয়েছেন কোহিনুর এবং সভাপতি সুদীপ। মাইনরিটি সেলের সভাপতি বাহারুল ইসলাম, কিসান ক্ষেত মজুর সংগঠনের দায়িত্বে নিশীথ মালিক এবং এসসি-এসটি সেলের সভাপতি হয়েছেন আশীষ মার্জিত।
একুশে জুলাইয়ের আবহে দলের এই নতুন রূপরেখা তৃণমূলের আগামী দিনের রাজনৈতিক লড়াইকে আরও গতিশীল করবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।