
কলকাতা: কেউ বলছেন টাকা নিয়েছেন। কেউ মনে করা হচ্ছেন পুরনো কথা। পালাবদলের পর তৃণমূলের ঘর ভেঙেছে। আর আগে যাঁরা ‘গলা জড়াজড়ি’ করে থাকতেন, এখন তাঁরাই একের অপরের বিরুদ্ধে তোপ দাগতে শুরু করেছেন। কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসগ মহুয়া মৈত্র অভিযোগ করেছিলেন, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়দের মতো যে সকল বিক্ষুব্ধ সাংসদ যোগ দিয়েছেন NCPI-তে,তাঁরা টাকা নিয়েছেন। এবার সেই নিয়েই মহুয়াকে পাল্টা ধুয়ে দিলেন কাকলি।
এ দিন কাকলি বলেন, “দেশের সুরক্ষা বিঘ্নিত করে পাসওয়ার্ড দেওয়ার জন্য বহিষ্কার করা হয়েছিল তিনি কত নিয়ে কী করেছিলেন দেশবাসী জানেন। আর এখন তিনি টাকার অঙ্ক বলে দিচ্ছেন, এর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই নিয়েছি।” এখানেই শেষ নয়, তিনি আরও বলেন, “এই কুড়ি জন সাংসদ অনৈতিকতার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। বিধানসভা নির্বাচনে আমরা বাংলার মানুষের রায় মাথা পেতে নিয়ে ওইদল থেকে বেরিয়ে অন্য দলে যোগদান করেছি। এর মধ্যে কোনও লেনদেনের গল্প নেই। উনি একটা অঙ্ক বলে দিচ্ছেন, লেনদেনের গল্প বলে দিচ্ছেন। উনি জানলেন কীভাবে?”
মহুয়ার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন শতাব্দী রায়ও। তিনি বলেন, “উনি প্রমাণ দিতে পারেননি। তবে, প্রমাণ দিতে হবে ওকে একদিন না একদিন। আর উনি প্রমাণ ছাড়া কথা বলছেন। সারা ভারত ও সারা পৃথিবীর যাঁরা মহুয়াকে চেনেন তাঁরা প্রমাণ পেয়ে গিয়েছিলেন যে উনি কী ডিল করে হিরানন্দানির থেকে টাকা নেন। উনি একমাত্র পার্লামেন্ট থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন। আমাদের কেউ সেটা হয়নি। আমাদের বিরুদ্ধে দেশবিরোধী কাজের প্রমাণ নেই। তাই ডিল করতে গেলে কী টাকা দিতে হয় সেটা উনি হয়ত জানেন।”
মহুয়া বলেছেন, “তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা পেয়েছেন ৪ কোটি টাকা। ৩৬ মাস পর্যন্ত প্রতিমাসে ১ কোটি করে পাবেন।”
Only ₹15 cr? Saste mein kyo jaa rahe hai? Believe ours got ₹4cr up front and ₹1cr a month for next 36 months of term. …. Honey plus Money.@uddhavthackeray @abhishekaitc https://t.co/Yl1ZXFxkC5
— Mahua Moitra (@MahuaMoitra) June 16, 2026