
কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে যে শশী পাঁজাকে কার্যত কোথাও দেখা যাচ্ছে না, কোনও শিবিরের মিটিং-মিছিলে যাচ্ছেন না, সেই প্রাক্তন মন্ত্রীকে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের (Kakali Ghosh Dastidar) ক্লিনিকে দেখা যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই বেড়েছে জল্পনা। পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই সাক্ষাৎ যে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে, এরই মধ্যে কাকলি জানালেন, শশী পাঁজা (Shashi Panja) তাঁর ক্লিনিকে প্রতিদিনই যান।
কলকাতার হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের একটি ক্লিনিক আছে। সেখানেই শশী পাঁজাকে দেখা গিয়েছে বলে জল্পনা ছড়ায়। এই প্রসঙ্গে আজ, সোমবার কাকলিকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, আর জি কর থেকে ডাক্তারি পড়া শেষ করে কাকলির কাছে কাজ শেখেন শশী। তারপর থেকে প্রায় প্রতিদিনই ক্লিনিকে যান তিনি।
কাকলি জানিয়েছেন, ঘোষ দস্তিদার ফার্টিলিটি ক্লিনিকে একটা বিশেষ আল্ট্রাসাউন্ড করেন শশী। প্রায় ৩০-৩৫ বছর ধরে শশী পাঁজা ওই কাজ করেন বলে জানিয়েছেন এনসিপিআই সাংসদ কাকলি। সেই কারণেই ক্লিনিকে যান, রোগীও দেখেন। এটা কোনও নতুন বা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বলে জানিয়েছেন তিনি।
রবিবার এই জল্পনা প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ দাবি করেছিলেন, পরাজয়ের পর থেকে দলের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করেননি শশী পাঁজা। দেশের বাইরে ছিলেন, বলেছিলেন এসে যোগাযোগ করবেন, কিন্তু তা করেননি। তবে এবার কুণাল ঘোষ বার্তা দিলেন, কেউ যাতে বিভ্রান্তি না ছড়ায়।
বেলেঘাটার বিধায়ক সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, “শশী পাঁজাকে নিয়ে কোনও প্রচারে বিভ্রান্তির মধ্যে পড়বেন না। যতক্ষণ না তাঁর নিজের বা দায়িত্বশীল কারও মুখ থেকে সুনির্দিষ্ট কিছু শুনছেন, ততক্ষণ বিষয়টি এড়িয়ে থাকাই ভালো।” ভোটের পর শশী পাঁজা ছোট মেয়ের কাছেও গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন কুণাল। শশীর পরিবারের রাজনৈতিক ইতিহাস ও তার সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগ থাকার কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন কুণাল।