
কলকাতা: ফের বিতর্কে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বাল্য বিবাহ নিয়ে তাঁর মন্তব্য নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বাল্য বিবাহ রোধে কড়া পদক্ষেপ করছে রাজ্য সরকার। সোমবারই সেই কথা স্পষ্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তার পাল্টা বিজেপিকেই নিশানা করলেন কল্যাণ। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির ঘরেই বাল্যবিবাহ সবথেকে বেশি। সনাতনী হিন্দুরাই সবথেকে বেশি বাল্য বিবাহ করে। শ্রীরামপুরের সাংসদের মন্তব্যে জোর বিতর্ক।
কল্যাণ বলেন, “যদি পক্সো আইনে দোষী হয়, তাহলে জেল দিয়ে দিতে পারে। কিন্তু ভাতা বন্ধ করতে পারে না। বাল্য বিবাহ প্রথম বন্ধ করেছেন রাজা রামমোহন রায়। চাইল্ড লেবার, সবাই বন্ধ করেছে।কিন্তু তা সত্ত্বেও হচ্ছে।” আর এরপরেই তিনি বলেন, “বিজেপির ঘরেই বাল্য বিবাহ বেশি পাবেন। সনাতনী হিন্দুরাই তো সবথেকে বেশি বাল্য বিবাহ করেন।”
কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে। যখন পরিসংখ্যান আসছে, দেশের মধ্যে একটা নির্দিষ্ট সংখ্যক মেয়ে অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থাতেই প্রেগন্যান্ট হয়ে যাচ্ছে। তাহলে সেই পরিসংখ্যান তো মিথ্যা বলছে না। তাহলে এই মেয়েগুলো তো অন্ততপক্ষে ৯ মাস আগে গর্ভবতী হয়েছে। সে সময় তো তৃণমূল সরকার ছিল। তার মানে তৃণমূল সরকারের সমস্ত প্রকল্প ব্যর্থ হয়েছে।”
উল্লেখ্য, বাল্য বিবাহ রুখতে কড়া আইন আনার প্রসঙ্গেই শুভেন্দু অধিকারী একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরনে। তাতে জানান, বাল্য বিবাহের ক্ষেত্রে মুর্শিদাবাদ এক নম্বরে, তারপর মালদহ, তৃতীয় স্থানে পূর্ব বর্ধমান। ১৫-১৭ বয়সী নাবালিকার বিয়ের ক্ষেত্রে ৫৩ শতাংশ মুসলিম। শুভেন্দুর কথায়, “এর মধ্যে হিন্দু মুসলিম কিছু নেই। মুসলিম হোক আর হিন্দু হোক, এর মধ্যে রিলিজিয়নের প্রশ্ন নেই।”