কলকাতা: পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আতসকাচের নিচে মদন মিত্রের পরিবার। তাঁর স্ত্রী ও দুই পুত্রকে তলব করেছে ইডি। আর কামারহাটির বিধায়কের পরিবারের কাছে ইডির নোটিস পৌঁছনোর পর মঙ্গলবার রাতে মদন হাজির এন্টালির তৃণমূল বিধায়ক তথা ঋতব্রত শিবিরের অপর সদস্য সন্দীপন সাহার বাবা তথা এন্টালির প্রাক্তন বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার বাড়িতে। দীর্ঘক্ষণ সেখানে বৈঠক করেন তিনি। সূত্রের খবর, রাত প্রায় সাড়ে দশটা পর্যন্তই সেখানেই ছিলেন তিনি।
এখানে উল্লেখ্য, স্বর্ণকমল সাহাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের সঙ্গী ছিলেন। ২০২১ এর ভোটেও তিনি জয়ী হয়েছিলেন এন্টালি থেকে। তবে, এবার দল তাঁকে প্রার্থী না করে তাঁর ছেলে সন্দীপনকে প্রার্থী করেছিল। সন্দীপনও জয়ী হন এই একই বিধানসভা কেন্দ্র থেকে। তবে, ছাব্বিশে ক্ষমতাচ্যূত হয় তৃণমূল। আর পরাজিত হওয়ার পরই আড়াআড়ি দুইভাগে ভাগ হয়ে যায় তৃণমূল শিবির। সুপ্রিমো মমতার হাত ছেড়ে উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিতে শুরু করেন একে একে সকলে। এমনকী, দীর্ঘদিন যাঁরা মমতার লড়াইয়ের সাক্ষী ছিলেন, মমতা যাঁদের উপর ভরসা করতেন সেই ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অরূপ বিশ্বাস, অনুব্রত মণ্ডলদের মতো নেতারা তাঁর হাত ছাড়েন। কিন্তু মদন সরেননি। এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যে গুটি কয়েক বিধায়ক রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম মদন মিত্র।
তবে, এবার সেই মদনের ‘হাবভাব’ এবার আলোচনার কেন্দ্রে। এখানে উল্লেখ্য, সন্দীপন একা ঋতব্রতর শিবিরে নেই, স্বর্ণকমলও রয়েছেন এই শিবিরের দায়িত্বশীল পদে। সূত্রের খবর, এই স্বর্ণকমলের বাড়িতেই এবার হাজির মদন। আর তারপরই প্রশ্ন তবে কি মদনও এবার মমতাকে ছেড়ে ঋত শিবিরে? আরও নিঃসঙ্গ হচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো?
প্রসঙ্গত, এর আগে কামারহাটি পৌরসভায় অবৈধ নিয়োগ মামলায় নাম জড়ায় মদনের। জুন মাসেই তাঁর একাধিক বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। ভবানীপুরের বাড়ি ছাড়াও দক্ষিণেশ্বর-সহ একাধিক বাড়িতে হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডি সূত্রের খবর, পুরনিয়োগ দুর্নীতিতে বেশ কিছু রহস্যময় আর্থিক লেনদেনে কামারহাটির বিধায়কের স্ত্রী ও দুই পুত্রের নাম সামনে এসেছে। সেজন্যই মদনের স্ত্রী ও দুই পুত্রকে জিজ্ঞসাবাদ করতে চাইছে ইডি।
কলকাতা: পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আতসকাচের নিচে মদন মিত্রের পরিবার। তাঁর স্ত্রী ও দুই পুত্রকে তলব করেছে ইডি। আর কামারহাটির বিধায়কের পরিবারের কাছে ইডির নোটিস পৌঁছনোর পর মঙ্গলবার রাতে মদন হাজির এন্টালির তৃণমূল বিধায়ক তথা ঋতব্রত শিবিরের অপর সদস্য সন্দীপন সাহার বাবা তথা এন্টালির প্রাক্তন বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার বাড়িতে। দীর্ঘক্ষণ সেখানে বৈঠক করেন তিনি। সূত্রের খবর, রাত প্রায় সাড়ে দশটা পর্যন্তই সেখানেই ছিলেন তিনি।
এখানে উল্লেখ্য, স্বর্ণকমল সাহাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের সঙ্গী ছিলেন। ২০২১ এর ভোটেও তিনি জয়ী হয়েছিলেন এন্টালি থেকে। তবে, এবার দল তাঁকে প্রার্থী না করে তাঁর ছেলে সন্দীপনকে প্রার্থী করেছিল। সন্দীপনও জয়ী হন এই একই বিধানসভা কেন্দ্র থেকে। তবে, ছাব্বিশে ক্ষমতাচ্যূত হয় তৃণমূল। আর পরাজিত হওয়ার পরই আড়াআড়ি দুইভাগে ভাগ হয়ে যায় তৃণমূল শিবির। সুপ্রিমো মমতার হাত ছেড়ে উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিতে শুরু করেন একে একে সকলে। এমনকী, দীর্ঘদিন যাঁরা মমতার লড়াইয়ের সাক্ষী ছিলেন, মমতা যাঁদের উপর ভরসা করতেন সেই ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অরূপ বিশ্বাস, অনুব্রত মণ্ডলদের মতো নেতারা তাঁর হাত ছাড়েন। কিন্তু মদন সরেননি। এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যে গুটি কয়েক বিধায়ক রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম মদন মিত্র।
তবে, এবার সেই মদনের ‘হাবভাব’ এবার আলোচনার কেন্দ্রে। এখানে উল্লেখ্য, সন্দীপন একা ঋতব্রতর শিবিরে নেই, স্বর্ণকমলও রয়েছেন এই শিবিরের দায়িত্বশীল পদে। সূত্রের খবর, এই স্বর্ণকমলের বাড়িতেই এবার হাজির মদন। আর তারপরই প্রশ্ন তবে কি মদনও এবার মমতাকে ছেড়ে ঋত শিবিরে? আরও নিঃসঙ্গ হচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো?
প্রসঙ্গত, এর আগে কামারহাটি পৌরসভায় অবৈধ নিয়োগ মামলায় নাম জড়ায় মদনের। জুন মাসেই তাঁর একাধিক বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। ভবানীপুরের বাড়ি ছাড়াও দক্ষিণেশ্বর-সহ একাধিক বাড়িতে হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডি সূত্রের খবর, পুরনিয়োগ দুর্নীতিতে বেশ কিছু রহস্যময় আর্থিক লেনদেনে কামারহাটির বিধায়কের স্ত্রী ও দুই পুত্রের নাম সামনে এসেছে। সেজন্যই মদনের স্ত্রী ও দুই পুত্রকে জিজ্ঞসাবাদ করতে চাইছে ইডি।