
কলকাতা: এক তৃণমূল বিরোধী, আর এক তৃণমূল ‘আসল বিরোধী’। রাজনীতির অনেক রঙ্গ দেখলেও এই চিত্র এর আগে প্রত্যক্ষ করেনি বাংলা। ৬০-এর বেশি তৃণমূল বিধায়কের সই নিয়ে বিরোধী দলনেতা হয়েছেন দল থেকে ‘বহিষ্কৃত’ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্য়ায় (Ritabrata Banerjee)। তাঁদের পদ মিলেছে, ঘর মিলেছে, মর্যাদাও মিলেছে। এই শিবিরের দাবি, তাঁরা গঠনমূলক বিরোধিতা করবেন। কিন্তু ৮০-র মধ্যে যে গুটিকয়েক বিধায়ক ওই শিবিরে সই করেননি, তাঁদের বিধানসভায় কী অবস্থান হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে। আজ সেই রূপরেখাই বলে দিলেন কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)।
বৃহস্পতিবার বিধানসভার অধিবেশনের দিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন, কুণাল ঘোষ, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় সহ পাঁচ বিধায়ক। কালীঘাট-শিবিরের এই বিধায়কদের দাবি, ঋতব্রতকে তাঁরা বিরোধী দলনেতা হিসেবে মানতে রাজি নন। বিরোধীদের জন্য যে সময় দেওয়া হয়, সেটাও চাইবেন না ঋতব্রতর কাছে। সে ব্যাপারে শুভেন্দুর সঙ্গে কথা বলে এসেছেন তাঁরা।
কুণাল ঘোষ বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, আমাদের আলাদা সময় দেওয়া হবে। এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য পরিষদীয় মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষকেও ডেকেছিলেন। তাঁকে সময়ের কথা বলেছেন তিনি।”
এদিকে, বিরোধীদের ঘর দেওয়া হয়েছে ঋতব্রত শিবিরকে। ইতিমধ্যেই সেখানে বসছেন তাঁরা। তাহলে কুণাল ঘোষ, মদন মিত্রদের বসার আলাাদা জায়গা দেওয়া হোক। আজ এই দাবি নিয়েও শুভেন্দুর কাছে গিয়েছিলেন তাঁরা। তাঁদের পৃথক ঘর দেওয়ার বন্দোবস্ত করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন কুণাল ঘোষ।
অর্থাৎ নামে দু পক্ষই তৃণমূল হলেও বিধানসভায় যে দুই শিবিরের মধ্যে কোনও সংযোগ থাকবে না, সেটা এদিনের বৈঠক থেকেই স্পষ্ট।