
কলকাতা: রাজ্যে নতুন সরকারের আমলে প্রথম দুর্গাপুজো (Durga Puja 2026)। এবারের পুজোয় থাকছে নতুন কিছু চমক। যেমন, মহালয়ায় মেগা শো-এর আয়োজন করা হচ্ছে ইডেনে। এবার মহালয়ায় আরও একটি বিশেষ আয়োজন করা হচ্ছে। মহালয়ার ভোরে গঙ্গার ঘাটে পিতৃপুরুষের উদ্দেশে তর্পণ করতে ভিড় করেন হাজার হাজার মানুষ। আর সেই সময় গঙ্গার পাড় জুড়ে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে শোনা যাবে চণ্ডীপাঠ। আগামী ১০ অক্টোবর মহালয়ার ভোরে কলকাতার পাঁচটি গঙ্গার ঘাটে মাইকে ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ বাজানোর পরিকল্পনা করেছে রাজ্য সরকার। শুধু তাই নয়, বিশেষ আলোয় সাজিয়ে তোলা হবে ঘাট চত্বর। তৈরি করা হবে বড় রেডিয়োর প্রতিকৃতিও।
রাজ্য সরকার সূত্রে খবর, প্রাথমিকভাবে কলকাতার পাঁচটি ঘাটকে এই বিশেষ আয়োজনের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। তালিকায় রয়েছে বাবুঘাট, বাজে কদমতলা ঘাট, জাজেস ঘাট, নিমতলা ঘাট এবং আহিরীটোলা ঘাট।
শুধু মাইকে ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ বাজানোই নয়,যোগ করা হচ্ছে বিশেষ আকর্ষণ। সংশ্লিষ্ট ঘাটগুলিতে তৈরি করা হবে বড় আকারের রেডিয়োর প্রতিকৃতি। মহালয়ার ভোরে রেডিয়োতে ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ শোনার যে দীর্ঘদিনের বাঙালি ঐতিহ্য, সেই আবহকেই গঙ্গার ঘাটে তুলে ধরার পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাশাপাশি পাঁচটি ঘাটের চত্বর বিশেষ আলোয় সাজিয়ে তোলা হবে।
১০ অক্টোবর মহালয়ার অনুষ্ঠানে ইডেন উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভার্চুয়ালি কলকাতার পাঁচটি পুজোর উদ্বোধন করবেন। ওই দিন সন্ধে ৭টা থেকে রাত ৮টা ২০ পর্যন্ত ইডেনে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইডেনে পৌঁছনোর আসার আগে রেড রোডে শো করবেন প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী। রোড শো করে ইডেনে পৌঁছনোর পর উলুধ্বনিতে বরণ করে নেওয়া হবে তাঁদের। বিকেল ৫টা থেকে ইডেনে শুরু হবে অনুষ্ঠান। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন ৬ হাজার শিল্পী। থাকবেন শান্তনু মৈত্র, শান, লগ্নজিতা (সম্ভবত), অন্তরা মিত্র, কৌশিকী চক্রবর্তী আর বাংলা ব্যান্ড ‘দোহার’। ৩ হাজার ঢাকি পারফর্ম করবেন ওই অনুষ্ঠানে।