
কলকাতা: চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস অর্থাৎ হাসপাতালের বাইরে গিয়ে আলাদাভাবে রোগী দেখার প্রবণতা নিয়ে বারবার অভিযোগ উঠেছে। এই প্রাইভেট প্র্যাকটিসের জন্য হাসপাতালে চিকিৎসকদের দেখা পাওয়া যায় না, এমন অভিযোগও সামনে এসেছে। সম্প্রতি মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে একাধিক প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনাতেও সেই একই তত্ত্ব সামনে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, জুনিয়র ডাক্তারদের উপর সব দায়িত্ব দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সোমবার ধনধান্য স্টেডিয়ামে চিকিৎসকদের সঙ্গে বৈঠকে প্রাইভেট প্র্যাকটিস নিয়ে মুখ খুললেন মমতা। বাড়িয়ে দিলেন পরিধি।
মাত্র মাস দুয়েক আগে চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস সংক্রান্ত বিষয়ে কিছু শর্ত দিয়েছিল স্বাস্থ্য ভবন। সেখানে বলা হয়েছিল, এবার থেকে প্রাইভেট প্র্যাকটিসের জন্য এনওসি (নো অবজেকশন সার্টিফিকেট) নেওয়া বাধ্যতামূলক। সেই নোটিসেই উল্লেখ করা হয়, হাসপাতালের ২০ কিলোমিটারের মধ্যে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করতে হবে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের। সোমবারের বৈঠকে মমতা সেই পরিধি বাড়িয়ে ৩০ কিলোমিটার করে দিলেন। তবে ৮ ঘণ্টা কোথাও যাওয়া যাবে না, এই বার্তা স্পষ্টভাবে দিলেন মমতা।
এদিন চিকিৎসকদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “সিনিয়রদের অনুরোধ করব জুনিয়রদের দায়িত্ব দিয়ে ছেড়ে দেবেন না। ৮ ঘণ্টা পরিষেবা দিন। তারপর প্রাইভেট প্র্যাকটিস করুন, কোনও আপত্তি নেই। ২০ কিলোমিটারটা আমি ৩০ কিমি করে দিচ্ছে।” মমতা এদিন অনুরোধের সুরে বলেন, “সরকারি পরিষেবা দেওয়ার সময় কোথাও যাবেন না প্লিজ। হাসপাতালে ডেকে নিন। হাসপাতালে পরিকাঠামো আছে। এইটুকু পরিষেবা দিলেই আমরা কৃতজ্ঞ থাকব।”