Bhabanipur Election Petition: যাঁরাই শুভেন্দুর প্রতি পক্ষপাত করেছেন, তাঁদেরই ভালো ভালো পদে নিয়ে আসা হয়েছে: কল্যাণ

Mamata Banerjee Bhabanipur Election Petition: এদিন হাইকোর্টে মমতার পিটিশন দাখিল করা নিয়ে কটাক্ষ করে বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ বলেন, "শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন, কর্ম করে যাও। ফলের চিন্তা করো না। তাই, মমতা তাঁর কাজ করে যাচ্ছেন। উনি ফলের চিন্তা করছেন না। উনি প্রতিবারই হারছেন, কোর্টে যাচ্ছেন। কর্ম করে যাচ্ছেন। গেলেন তো, এতদিন পর কেন গেলেন?"

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Jun 16, 2026 | 8:25 PM

কলকাতা: একুশের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে হারার পর আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। ৫ বছর পর ভবানীপুরের ফলকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই নিয়ে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। ভবানীপুরের ফল নিয়ে মমতার আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করলেন তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

কী বললেন কল্যাণ?

মঙ্গলবার হাইকোর্টে এসে ইলেকশন পিটিশন দাখিল করলেও কোনও মন্তব্য করেননি মমতা। তবে কল্যাণ বললেন, “ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনের ফলকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য আদালতে এসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কারণ, নির্বাচন যথাযথভাবে হয়নি। প্রথমত, ১২ রাউন্ড গণনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর নির্বাচনী এজেন্টকে মারধর করে গণনাকেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়। দ্বিতীয়ত, ভবানীপুরের আরও (রিটার্নিং অফিসার) ২০২১ সালে নন্দীগ্রামেরও আরও ছিলেন। গল্প তো ছিলই। পক্ষপাতিত্ব তো ছিলই। তা না হলে হবে কেন এরকম? হঠাৎ করে হবে কেন? আর যাঁরাই শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি পক্ষপাত করেছেন, তাঁদেরই ভালো ভালো পদে নিয়ে আসা হয়েছে।”

ফল ঘোষণার প্রায় দেড়মাস পর কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইলেকশন পিটিশন দায়ের করলেন? প্রশ্ন তুলছে বিজেপি। এই নিয়ে কল্যাণ বলেন, “সময়ের মধ্যেই তো করছেন। যিনি করছেন, তাঁর উপর নির্ভর করছে। বিজেপির বলার উপর নির্ভর করছে না।”

প্রসঙ্গত, ছাব্বিশের নির্বাচনে ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরেছেন মমতা। ভবানীপুরে শুভেন্দু পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৯১৭ ভোট। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৮১২ ভোট। ১৫ হাজার ১০৫ ভোটে জিতেছেন শুভেন্দু। একুশের নির্বাচনেও নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর কাছে হেরেছিলেন মমতা। পরে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার নিষ্পত্তি এখনও হয়নি।

শুনুন কী বললেন কল্যাণ-

কী বললেন সজল ঘোষ?

এদিন হাইকোর্টে মমতার পিটিশন দাখিল করা নিয়ে কটাক্ষ করে বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ বলেন, “শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন, কর্ম করে যাও। ফলের চিন্তা করো না। তাই, মমতা তাঁর কাজ করে যাচ্ছেন। উনি ফলের চিন্তা করছেন না। উনি প্রতিবারই হারছেন, কোর্টে যাচ্ছেন। কর্ম করে যাচ্ছেন। গেলেন তো, এতদিন পর কেন গেলেন?”

ভোটের দিন ও ফলঘোষণার দিন কোনও অনিয়ম নিয়ে কেন মমতা কোনও অভিযোগ করেননি, সেই প্রশ্ন তুলে সজল বলেন, “কোর্ট তার ফয়সালা দেবে। দরকার হলে আর কী হবে, আর একটা ভোটই করে নিন। আর একবার হারুন। ওনার হারের হ্যাটট্রিকটা হয়ে যাক।”

কলকাতা: একুশের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে হারার পর আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। ৫ বছর পর ভবানীপুরের ফলকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই নিয়ে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। ভবানীপুরের ফল নিয়ে মমতার আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করলেন তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

কী বললেন কল্যাণ?

মঙ্গলবার হাইকোর্টে এসে ইলেকশন পিটিশন দাখিল করলেও কোনও মন্তব্য করেননি মমতা। তবে কল্যাণ বললেন, “ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনের ফলকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য আদালতে এসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কারণ, নির্বাচন যথাযথভাবে হয়নি। প্রথমত, ১২ রাউন্ড গণনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর নির্বাচনী এজেন্টকে মারধর করে গণনাকেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়। দ্বিতীয়ত, ভবানীপুরের আরও (রিটার্নিং অফিসার) ২০২১ সালে নন্দীগ্রামেরও আরও ছিলেন। গল্প তো ছিলই। পক্ষপাতিত্ব তো ছিলই। তা না হলে হবে কেন এরকম? হঠাৎ করে হবে কেন? আর যাঁরাই শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি পক্ষপাত করেছেন, তাঁদেরই ভালো ভালো পদে নিয়ে আসা হয়েছে।”

ফল ঘোষণার প্রায় দেড়মাস পর কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইলেকশন পিটিশন দায়ের করলেন? প্রশ্ন তুলছে বিজেপি। এই নিয়ে কল্যাণ বলেন, “সময়ের মধ্যেই তো করছেন। যিনি করছেন, তাঁর উপর নির্ভর করছে। বিজেপির বলার উপর নির্ভর করছে না।”

প্রসঙ্গত, ছাব্বিশের নির্বাচনে ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরেছেন মমতা। ভবানীপুরে শুভেন্দু পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৯১৭ ভোট। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৮১২ ভোট। ১৫ হাজার ১০৫ ভোটে জিতেছেন শুভেন্দু। একুশের নির্বাচনেও নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর কাছে হেরেছিলেন মমতা। পরে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার নিষ্পত্তি এখনও হয়নি।

শুনুন কী বললেন কল্যাণ-

কী বললেন সজল ঘোষ?

এদিন হাইকোর্টে মমতার পিটিশন দাখিল করা নিয়ে কটাক্ষ করে বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ বলেন, “শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন, কর্ম করে যাও। ফলের চিন্তা করো না। তাই, মমতা তাঁর কাজ করে যাচ্ছেন। উনি ফলের চিন্তা করছেন না। উনি প্রতিবারই হারছেন, কোর্টে যাচ্ছেন। কর্ম করে যাচ্ছেন। গেলেন তো, এতদিন পর কেন গেলেন?”

ভোটের দিন ও ফলঘোষণার দিন কোনও অনিয়ম নিয়ে কেন মমতা কোনও অভিযোগ করেননি, সেই প্রশ্ন তুলে সজল বলেন, “কোর্ট তার ফয়সালা দেবে। দরকার হলে আর কী হবে, আর একটা ভোটই করে নিন। আর একবার হারুন। ওনার হারের হ্যাটট্রিকটা হয়ে যাক।”

Follow Us