
কলকাতা: জল্পনার অবসান। আগামিকালই দিল্লি যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এবার দিল্লিতে ফ্রন্ট ফুটে লড়বেন তিনি। ককরোচ জনতা পার্টির (Cockroach Janta Party) কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন কালীঘাট তৃণমূলের দলনেত্রী। এদিকে, আগামিকাল দিল্লিতে যখন মমতা, সেই সময়ই বৈঠকে বসছে তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে চলে যাওয়া বিদ্রোহী সাংসদরা।
এসআইআর ইস্যুতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে আগামী ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে কর্মসূচি রেখেছে ককরোচ জনতা পার্টি। সেখানে যোগ দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। জানা গিয়েছে, আগামিকাল দুপুরের বিমানেই দিল্লি যাবেন কালীঘাট তৃণমূল নেত্রী। আগামী ১০ তারিখ ককরোচ জনতা পার্টির সমাবেশে যোগদানের সম্ভাবনা প্রবল।
এদিকে, দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বিভিন্ন দলের সঙ্গেও বৈঠক করতে পারেন মমতা। এমনটাই জল্পনা। আগামী ৯ তারিখ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে যাবেন ইন্ডিয়া জোটের ১০ জনের প্রতিনিধি দল। ওই দলে থাকছেন মমতাও। এমনটাই সূত্রের খবর।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন দিল্লিতে, সেই সময়ই আগামিকাল সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে দুপুর ১২টায় বৈঠকে বসছেন এনসিপিআই-এর সাংসদরা। তাদের তরফে এটি গেট-টুগেদার বলা হলেও, রাজনৈতিক মহলের দাবি, যেখানে নির্বাচন কমিশন ইস্যুতে জাতীয় রাজনীতি উত্তাল, সেই সময়ে এনসিপিআই সাংসদরা তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতেই বৈঠকে বসছেন। তারা কোন দলে রয়েছেন, তা ঠিক করতেই এই বৈঠক।
প্রসঙ্গত, রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে হারের পরই তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বিদ্রোহ করে বেরিয়ে আসেন ২০ জন সাংসদ। এই দলে কাকলি ঘোষ দস্তিদার থেকে শুরু করে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়, দেব, সায়নী ঘোষরা রয়েছেন। তারা তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেন। তবে এখনও স্বীকৃতি পাননি তারা। স্পিকারের অফিসের তরফে তাদের বৈধতা নিয়ে জবাব চাওয়া হয়েছিল। তাতে আরও ১০ দিন অতিরিক্ত সময় চেয়েছিল এনসিপিআই সাংসদরা। তবে আগামিকাল অর্থাৎ ৮ অক্টোবর স্পিকারের দেওয়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নোটিসের জবাব দেওয়ার চেষ্টা করছে এনসিপিআই। আজ সকালে এই বিষয়ে স্পিকারের সঙ্গে কথাও বলেছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।