
কলকাতা: “ফিরহাদ হাকিম বিজেপির জন্য যায়নি বা পদত্যাগ করেননি। ফিরহাদ হাকিমকে বাধ্য করেছেন তাদের দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।” বিস্ফোরক দাবি বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষের। কিন্তু কেন এই দাবি? সজল বলছেন, কারণ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও পদে নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে হেরেছেন। তাই সেই হিংসা ছিল ফিরহাদ হাকিমকে নিয়ে। বাধ্য করা হল ফিরহাদ হাকিমকে। নিজেরা কোন পদে নেই। তাই ফিরহাদ হাকিমকে থাকতে দিলেন না মেয়র পদে। তাঁর এ মন্তব্য নিয়েই জোর চাপানউতোর রাজনৈতিক আঙিনায়।
যদিও সজল যখন এ কথা বলছেন তখন অভিষেকের পুনর্ভিষেকের খবরটা সামনে আসেনি। ইতিমধ্যেই ফের অভিষেককে সর্বভারতীয় সভাপতির পদে বহাল করা হয়েছে। সোজা কথায় স্বপদেই রয়েছেন অভিষেক। তবে তাঁর দায়িত্ব অনেকটাই ভাগ করে দেওয়া হয়েছে ডেরেক ও ব্রায়েন ও দোলা সেনের মধ্যে। তাঁদের সর্বভারতীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। তা নিয়েও চর্চা চলছে রাজনৈতিক আঙিনায়।
অভিষেকের দায়িত্ব দুই সংসদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার নেপথ্যে অন্য কারণও খুঁজছে রাজনৈতিক মহল। অভিষেকের গ্রেফতারির আশঙ্কা কি তীব্রতর হচ্ছে? সেই আশঙ্কা থেকেই কি দুই সাংসদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করা হল? প্রশ্ন ঘুরছে। যেভাবে বিভিন্ন মামলা ঘিরে ধরছে অভিষেককে, তাতে তাঁর গ্রেফতারির আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না রাজনৈতিক মহল।
সজল ঘোষ যদিও দোষ দেখছেন অভিষেকেরই। বলছেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আগে ধরেনি ভালোই হয়েছে। কারণ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় থাকাতেই তৃণমূল দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে। ও একাই দলটাকে ভেঙে দিল।”