
কনিষ্ক মাইতি: কালীপুজোর সন্ধ্যায় বেলেঘাটা মেন রোড এলাকায় একটি বাড়িতে আচমকা আগুন। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে গোটা বাড়ি। আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল। প্রথমে একটি ইঞ্জিন এলেও, আগুনের তীব্রতা বুঝে তিনটি ইঞ্জিন আসে। আগুন যাতে আশপাশের এলাকায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে না পারে, তার জন্য যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু করেন দমকলকর্মীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধ্যায় বেলেঘাটা মেন রোডের ওই বাড়িটি থেকে হঠাৎই ধোঁয়া বের হতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের শিখা দেখতে পেয়ে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গেই খবর দেওয়া হয় দমকলে। তবে স্থানীয়দের দাবি, আগুন লাগার সময় ওই বাড়িটিতে কেউ থাকত না, ফলে বড় ধরনের কোনো প্রাণহানির আশঙ্কা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
খবর পাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই দমকলের তিনটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু করে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ শর্ট সার্কিট নাকি অন্য কোনো নেপথ্য কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন দমকলের আধিকারিকরা। রবিবারের এই ঘটনায় বেলেঘাটা মেন রোড এলাকায় সাময়িকভাবে যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
অন্যদিকে, এই সন্ধ্যাতেই কাঁথিতে একটি বাইকের শোরুমে আগুন লেগে যায়। বহু নতুন বাইক পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। কী থেকে আগুন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ব্যবসায়ীর প্রচুর টাকার ক্ষতি হয়ে গিয়েছে। রবিবার সন্ধেয় কাঁথি পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার ঘটনা। দমকলের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও প্রায় ৪০টি বাইক পুড়ে গেছে বলে দাবি শোরুম কর্তৃপক্ষের। ঘটনার খবর পেয়ে আসেন এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের সেচ ও জলপথ বিভাগের মন্ত্রী অরূপকুমার দাস। তিনি জানান, দমকল অগ্নিকাণ্ডের কারণ খতিয়ে দেখছে।