
কলকাতা: গভীর রাতে ফের উত্তপ্ত ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র। ব্যালট বক্স আনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, যে ঘরে কোনও সিসিটিভি নজরদারি নেই, সেখানেই রাখা হয়েছে আটটি ব্যালট বক্স। তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের জেরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়।
জানা গিয়েছে, শুক্রবার গভীর রাতে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে ব্যালট বক্স আনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ করে, এমন ঘরে ব্যালট বক্স রাখা হয়েছে, যেখানে কোনও সিসিটিভি নজরদারি নেই। তাদের বক্তব্য ছিল, সকল প্রার্থীদের উপস্থিতিতে ব্যালট বক্স সরানো হোক। অভিযোগ, নজরদারি এড়িয়ে সেই বক্স আনার চেষ্টা করে কমিশন। তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা প্রতিবাদ করলে এই নিয়ে ঘটনাস্থলে উত্তেজন ছড়ায়। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের ওই জায়গা থেকে সরিয়ে দেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
মধ্য রাতের পর আবার শ্যামপুকুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী পূর্ণিমা চক্রবর্তী স্ট্রংরুম পরিদর্শনে আসেন। তিনি এসে অভিযোগ তোলেন, কয়েকজন তৃণমূল কর্মী তাঁকে দেখে জয় বাংলা স্লোগান দিচ্ছিল। দায়িত্বে থাকা পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন বিজেপি প্রার্থী। ফেসবুকে লাইভ করে অভিযোগ করেন তিনি। অভিযোগ করেন যে তৃণমূল কর্মীরা তাঁকে দেখে চিৎকার-চেঁচামেচি, গালিগালাজ করে। পুলিশ তাঁকে চলে যেতে বলে। এতেই আরও ক্ষুব্ধ হন তিনি।
বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ৪ মে ভোটের রেজাল্টের আগেই এই স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা আরও কঠোর করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় দফা ভোট মেটার পরেরদিনই, ৩০ এপ্রিল রাতেও উত্তেজনা ছড়িয়েছিল ক্ষুদিরাম অনুশীল কেন্দ্রে। সাতটি বিধানসভার স্ট্রংরুম রয়েছে এখানে। বৃহস্পতিবার রাতে অভিযোগ ওঠে, স্ট্রং রুমের ভিতরে সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করা গিয়েছে। এই অভিযোগ নিয়েই রাতে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের বাইরে হাজির হন শশী পাঁজা ও কুণাল ঘোষ। ধরনায় বসেন তাঁরা। এদিকে, সেই সময়ই বাইরে বিক্ষোভ শুরু করে বিজেপি কর্মীরাও। ছুটে আসেন তাপস রায়, সন্তোষ পাঠক।