
কলকাতা: প্রশ্ন ফাঁসে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP) আন্দোলন নিয়ে এবার বামেদেরই কাঠগড়ায় তুললেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তাঁর বক্তব্য, কমিউনিস্টরাই ছারপোকা, আরশোলা তৈরি করে। বামেদের হাত ধরেই দেশদ্রোহীদের আন্দোলন সংগঠিত হয়েছে দাবি দিলীপের। বস্তুত, এর আগে স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লা থেকে মাওবাদ মনোভাবাপন্নদের ‘দিমাগি নকশাল’বলে আক্রমণ শানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। আর এবার বামেদের বিরুদ্ধে CJP আন্দোলনে উস্কানির অভিযোগ দিলীপের। বাংলায় আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গ হলে কোনও রকম বরদাস্ত করা হবে না বলেও জানিয়ে রাখলেন তিনি।
মূলত, বাঁকুড়ায় ককরোচ জনতা পার্টির এক কর্মীর বাবাকে খুনের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় গতকাল অর্থাৎ সোমবার বামেদের প্রতিনিধি দল শোকতপ্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। সেই প্রেক্ষিতেই বলতে গিয়ে দিলীপ বলেন, “যে কোনও জায়গাতেই যেতে পারেন ওঁরা। তবে ককরোচ রাতারাতি কোথা থেকে বেরিয়ে আসে? কমিউনিস্টদের মাথাতেই এসব আসে, তারাই আরশোলা তারাই ছারপোকা তৈরি করে,আর সারা দুনিয়ায় উৎপাত করে।”
তাঁর আরও সংযোজন, “বামেদের হাত ধরে অ্যান্টি সোশ্যাল, অ্যান্টি ন্যাশনালরা এসে সমাজে আন্দোলনের নামে উৎপাত করে। দিল্লিতে এক্সপেরিমেন্ট হয়েছিল দেখা গেছে। যাঁরা আন্দোলন করছেন তাঁরা এখন ভুগছে। পশ্চিমবঙ্গের সরকার আছে সতর্ক খেয়াল রাখছে। এখানে অশান্তি পায় শৃঙ্খলার অবনতি কাউকে করতে দেওয়া হবে না।”
পাল্টা সিপিএম মুখপাত্র শতরূপ ঘোষ বলেন, “উনি কি বলতে চাইছেন বাংলায় সরকার আছে আর দিল্লিতে সরকার ছিল না? বাংলার শুভেন্দু অধিকারীর সরকার শক্তিশালী আর দিল্লির রেখা গুপ্তার সরকার দুর্বল? মোদী-অমিত শাহ সরকার এই CJP-র আন্দলোনে বাধ্য হল ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দেওয়াতে। পুলিশ সঙ্গে থাকলে এমন ভাষণ সকলে দিতে পারে। যখন পুলিশ সঙ্গে ছিল তখন মমতা-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রাও বড় বড় কথা বলতেন, আর এখন ডিম খান। তাই যখন পুলিশ থাকবে না তখন ভাষণ বেরিয়ে যাবে।”