
কলকাতা: ১ জুলাই আরও এক কিস্তি দেওয়া হবে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের (Annapurna Yojana)। ইতিমধ্যেই তা ভেরিফিকেশন করে পোর্টালে আপলোড করে দেওয়া হয়েছে। তবে, কারা কারা অন্নপূর্ণা ভান্ডার পাবেন না তা আগেই স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল রাজ্য সরকারের তরফে। হিসাব বলেছে, যতজন উপভোক্তা লক্ষ্মীর ভান্ডারের সুবিধা পেতেন, অন্নপূর্ণা ভান্ডারে সেই উপভোক্তার সংখ্যা অনেকটাই কমেছে। কেন? টিভি ৯ বাংলাকে দেওয়া এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে সেই কারণই ব্যাখ্যা করলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত।
এ দিন, টিভি ৯ বাংলার ম্যানেজিং এডিটর অমৃতাংশ ভট্টাচার্য রাজ্যের মন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রাখেন, “প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা রাখা হয়েছে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের জন্য। হিসাব বলছে এক কোটির বেশি মহিলা অন্নপূর্ণা ভান্ডার পাবে। লক্ষ্মীর ভান্ডারের থেকে তা ১ কোটি ২০ লক্ষের মতো কম। এই সংখ্যাটা SIR-এ বাদ নাকি অন্য কোনও ভাবে বাদ?” ঠিক এই প্রশ্নেরই উত্তর দিয়েছেন স্বপন। তিনি বলেন, “কিছু মানুষ তো বাদ যাবেই। সর্বজনীন ব্যবস্থা থেকে আর্থিক সামর্থ্য যাচাই ব্যবস্থায় এসেছি আমরা। যাঁরা আগে লক্ষ্মীর ভান্ডার পকেট মানি হিসাবে নিচ্ছিলেন তাঁরা এখন হয়ত বাদ চলে গেছেন। আমার মনে হয় না এটায় সমস্যা হবে। ঠিক মতো পরিচালনা করাই চ্যালেঞ্জ।”
সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, অন্নপূর্ণা প্রকল্পের টাকা শুধুমাত্র ডিবিটি-র মাধ্যমে আধার-লিঙ্কড ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে,ভুল তথ্য বা অসম্পূর্ণ যাচাইয়ের কারণে টাকা পেতে দেরি হতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “যাঁদের নাম এখনও অন্নপূর্ণা যোজনায় নথিভুক্ত হয়নি, তাঁদের চিন্তার কোনও কারণ নেই। আবেদন প্রক্রিয়া এখনও চালু রয়েছে। এলাকার সরকারি কর্মীরা প্রয়োজন হলে বাড়িতে গিয়েও আবেদন করতে সাহায্য করবেন।”