
কলকাতা: উপনির্বাচনের নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে সোমবার জাতীয় কর্মসমিতি নিয়ে বৈঠক করে ঋত-তৃণমূল শিবির।
রেজিনগরে ঋত শিবিরের তৃণমূল প্রার্থী সফিউজ্জামান শেখ
নন্দীগ্রামের প্রার্থী মহম্মদ এতেসামুল হক।
সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ১৬ তারিখ মনোনয়ন জমা দেওয়া হবে। তাঁর কথায়, “কমিশনের কাছে আমাদের নথি ও তথ্য জমা দেওয়া হয়েছে। আমরা উতলা নই। আমাদের দেশের সংবিধান গভীরে আছে।” উল্লেখ্য, নন্দীগ্রামে কালীঘাট তৃণমূল প্রার্থী করেছে একেবারেই নতুন মুখকে। সঞ্চিতা প্রধান দে-কে প্রার্থী করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই লড়বেন বলে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছিল, সেখানে দাঁড়িয়ে রবিবার রাতেই কালীঘাট তৃণমূলের এই ঘোষণা বড় চমকের।
সে প্রসঙ্গে এদিন ঋতব্রত বন্দ্য়োপাধ্যায় বললেন, “মমতা বন্দোপাধ্যায় এবার বিধানসভায় জিততে পারেননি। তিনি নিজের বুথে, পাড়ায় হেরেছেন। আমরা তাই বলেছিলাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী হোক। আমরা চাই উনি জিতে আসুন। উনি অবশ্য প্রার্থী দিয়ে দিলেন। নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা দেবীকে ওনারা করলেন।” এদিকে, রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী।
তবে প্রতীক বিতর্কের এখনও কোনও ফয়সলা হয়নি। বিষয়টি ঝুলে রয়েছে নির্বাচন কমিশনেই। জোড়া ফুলের দাবিদার ঋতশিবির। এদিকে, নিজের অধিকারের সমস্ত দাবিদাওয়া জানিয়ে কমিশনে নথি জমা দিয়েছে কালীঘাট তৃণমূলও। ১৬ তারিখ কালীঘাট তৃণমূলকে ডেকেছে কমিশন। ডাক পায়নি ঋতশিবির। সেক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাসী ঋতব্রত বললেন, “আমাদের প্রতীক হবে ঘাসের উপর জোড়াফুল।”
কার হাতে প্রতীক যাবে, সে বিষয়ে কোনও স্থগিতাদেশ জারি করেনি কমিশন। এর মাঝেই দুই শিবির থেকেই প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দেওয়ায় রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ছে।