NCB seizes drugs: ভোটের মুখে ৫০ কোটির মাদক বাজেয়াপ্ত কলকাতায়, ধৃত আন্তর্জাতিক চক্রের পান্ডার স্ত্রী-সহ ২

Drugs worth Rs 50 crore seized in Kolkata: NCB-র আইনজীবী সুরেশ প্রসাদ সিং বলেন, "আন্তর্জাতিক ব়্যাকেট জড়িত। সম্ভবত এত টাকার নিষিদ্ধ মাদক এর আগে ধরা পড়েনি কলকাতায়।" এদিন এমনও মাদক উদ্ধার হয়েছে, যা আমেরিকা থেকে নিয়ে আসে মাদক পাচারকারীরা। ভোটের বাংলায় এত মাদক কোথায় কোথায় নিয়ে যাওয়া হত, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। কলকাতায় মাদক পাচার চক্রের রমরমা বাড়ছে কি না, প্রশ্ন উঠছে তা নিয়েও।

NCB seizes drugs: ভোটের মুখে ৫০ কোটির মাদক বাজেয়াপ্ত কলকাতায়, ধৃত আন্তর্জাতিক চক্রের পান্ডার স্ত্রী-সহ ২
গ্রেফতার করা হয়েছে ২ জনকেImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Apr 04, 2026 | 9:30 PM

কলকাতা: স্বামী আন্তর্জাতিক মাদক পাচার চক্রের পান্ডা। কোটি কোটি টাকার মাদক পাচার করতে গিয়ে ফিলিপিন্সে ধরা পড়েছেন। স্বামীর অবর্তমানে কলকাতায় বসেই চক্র চালাচ্ছিলেন স্ত্রী। আর সেই মাদক পাচার চক্র চালাতে গিয়েই নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর (NCB) হাতে ধরা পড়লেন মহিলা। একবালপুর এলাকা থেকে ওই মহিলা-সহ ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হল বিপুল পরিমাণ মাদক। উদ্ধার হওয়া মাদকের বাজারমূল্য প্রায় ৫০ কোটি টাকা বলে NCB গোয়েন্দাদের দাবি। ভোটের বাংলায় কলকাতা থেকে এই বিপুল মাদক উদ্ধারের ঘটনায় হইচই পড়েছে।

NCB জানিয়েছে, ধৃত মহিলার নাম শায়েস্তা খান। ধৃত অপর জনের নাম জি রাসেল ডিক্রুজ। NCB সূত্রে খবর, একবালপুর থানা এলাকার তিনটে পৃথক ঠিকানায় তল্লাশি চালিয়ে এই বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার হয়। এছাড়া নগদ প্রায় চার লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা এবং কয়েক লক্ষ টাকার গয়না উদ্ধার করেন NCB আধিকারিকরা। ধৃত ২ জনকে এদিন আলিপুর আদালতে পেশ করা হয়। শায়েস্তা খানকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। আর রাসেল ডিক্রুজকে ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

শায়েস্তা খান আন্তর্জাতিক মাদক পাচার চক্রের পান্ডা শেখ মুনিরের স্ত্রী। NCB সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন ধরেই শেখ মুনিরের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিলেন গোয়েন্দারা। চলতি বছর জানুয়ারিতে কলকাতা থেকে বিদেশে পাড়ি দেন মুনির। ফেব্রুয়ারিতে মুনির এবং তাঁর এক সঙ্গী কয়েকশো কোটি টাকার মাদক (কোকেন) নিয়ে আসার সময় ফিলিপিন্সে গোয়েন্দাদের হাতে গ্রেফতার হন। তদন্তকারীদের বক্তব্য, মুনিরের অবর্তমানে তাঁর স্ত্রী শায়েস্তা একবালপুরে বসে মাদক নেটওয়ার্ক চালাচ্ছিলেন। সম্প্রতি বিপুল মাদকের কনসাইনমেন্ট আসে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তল্লাশি চালান NCB আধিকারিকরা। আন্তর্জাতিক এই মাদক পাচার চক্রের আরও অনেক সদস্য বিভিন্ন জায়গাতে সক্রিয় আছে বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা।

NCB-র আইনজীবী সুরেশ প্রসাদ সিং বলেন, “আন্তর্জাতিক ব়্যাকেট জড়িত। সম্ভবত এত টাকার নিষিদ্ধ মাদক এর আগে ধরা পড়েনি কলকাতায়।” এদিন এমনও মাদক উদ্ধার হয়েছে, যা আমেরিকা থেকে নিয়ে আসে মাদক পাচারকারীরা। ভোটের বাংলায় এত মাদক কোথায় কোথায় নিয়ে যাওয়া হত, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। কলকাতায় মাদক পাচার চক্রের রমরমা বাড়ছে কি না, প্রশ্ন উঠছে তা নিয়েও।

Follow Us