
কলকাতা: চোরবাগান-কাণ্ডের পর কালীপুজোয় তৎপর প্রশাসন। কোথাও যাতে কোনও বিশৃঙ্খলা না হয়, তার জন্য সবরকম ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যান নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে বাজি ফাটানো- সব ক্ষেত্রেই নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করছে সরকার। সোমবার এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে রাজ্যের তরফে।
আপৎকালীন পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে প্রত্যেক পুজো কমিটিকে ইমার্জেন্সি ইভাকুয়েশন প্ল্যান তৈরি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনওরকম দুর্ঘটনা, অগ্নিকাণ্ড কিংবা অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হলে কীভাবে দ্রুত দর্শনার্থীদের নিরাপদে বের করে আনা হবে, তার আগাম পরিকল্পনা রাখতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে যে, পুজো কমিটির তরফে মণ্ডপে দর্শনার্থীদের জন্য কখনও কোনও গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করতে হলে পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই তা করতে হবে। প্রয়োজনে পুলিশকর্মীর উপস্থিতিতে ঘোষণা করতে হবে।
কালীপুজোয় পরিবেশবান্ধব শব্দবাজি ফাটানোর সময়সীমাও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। সন্ধ্যা ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত পরিবেশবান্ধব সবুজ বাজি ফাটানো যাবে। আগামী ১০ থেকে ১২ নভেম্বরের মধ্যে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন করতে হবে। বিসর্জনের শোভাযাত্রায় কোনওরকম শব্দবাজি ফাটানো যাবে না, ডিজে বাজানো যাবে না। অন্যদিকে, লাউডস্পিকার ও সাউন্ড বক্স ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে কলকাতা পুলিশ। সকাল ৭টা থেকে বেলা ১১টা এবং সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত লাউড স্পিকার ব্যবহার করা যাবে।