Bangla NewsKolkata Panchayat Minister Dilip Ghosh Says Reforms Made to Stop Corruption
Dilip Ghosh: ‘উপরে ভগবান, নীচে প্রধান-ভাবতে শুরু করেছিল নিজেদের…’, চাঁচাছোলা পঞ্চায়েত মন্ত্রী, দুর্নীতি রুখতে কী করেছেন তিনি?
TV9 Mega Conclave: ১০০ দিন পূর্তির পর পঞ্চায়েত দফতরকে দশে কত নম্বর দেবেন-এই প্রশ্নের উত্তরে পঞ্চায়েত মন্ত্রী বলেন, "প্রোমো হয়েছে সরকারের। ট্রায়াল চলছে। ১০০ দিনে এতটুকু বলতে পারি, শুরুর শুরু হয়েছে। গাড়ি কোনদিকে যাবে, কীভাবে যাবে, এই সরকার কী চায়, সেটা লোককে বোঝার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।"
পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।Image Credit source: TV9 বাংলা
কলকাতা: বাংলায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে সবথেকে বেশি হিংসা হয়। এই রেকর্ড সবার জানা। পালাবদলের পর বিজেপির নতুন সরকারে পঞ্চায়েত মন্ত্রী হয়েছেন দাপুটে নেতা দিলীপ ঘোষ। রাজ্যে পঞ্চায়েতের কী হাল? কী-ই বা পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর? সে কথাই তুলে ধরলেন টিভি৯ বাংলার মেগা কনক্লেভে।
এ দিন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন-
১০০ দিন পূর্তির পর পঞ্চায়েত দফতরকে দশে কত নম্বর দেবেন-এই প্রশ্নের উত্তরে পঞ্চায়েত মন্ত্রী বলেন, “প্রোমো হয়েছে সরকারের। ট্রায়াল চলছে। ১০০ দিনে এতটুকু বলতে পারি, শুরুর শুরু হয়েছে। গাড়ি কোনদিকে যাবে, কীভাবে যাবে, এই সরকার কী চায়, সেটা লোককে বোঝার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।”
তিনি বলেন, “কাজ করতে হলে, গত ১৫ বছরের জঞ্জাল সাফ করতে হবে। আমি আমার ডিপার্টমেন্টের কথা যদি বলি, তাহলে গর্বের পঞ্চায়েত দফতর দুর্নীতির আখাড়া ছিল। ভারতবর্ষে পঞ্চায়েত নির্বাচনে সবথেকে বেশি হিংসা হয়। দেশ জুড়ে বদনাম এতটাই হয়েছিল যে কেন্দ্রীয় সরকার দুটি বড় প্রকল্প বাতিল করে দিয়েছিল দুর্নীতির জন্য। নারেগা-১০০ দিনের কাজ এবং আবাস যোজনা। গরিব মানুষের মাথার উপরে ছাদ- সেটাও লুট হয়েছে। কাজই প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সেগুলি আমরা চালু করেছি।”
যা যা বাধা ছিল, তা সরানোর কাজ চলছে, যাতে কাজটা সাবলীল হয়। সবথেকে বড় বাজেট দেওয়া হয়েছে আমাদের। সবথেকে বেশি মানুষ আমাদের এলাকায় থাকে, তাদের পরিষেবা দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের। সেটা যাতে সুচারুভাবে করতে পারি, তার জন্য রাস্তা পরিষ্কার হচ্ছে।
দুর্নীতি যাতে না হয়, তার জন্য আইনের কিছু পরিবর্তন করেছি। প্রধানদের হাতে সমস্ত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল। তারা নিজেদের “উপরে ভগবান, নীচে প্রধান” ভাবতে শুরু করেছিল। সেটা কম হয়েছে। তারফলে নির্বাচনে মারামারিও কম হবে। অর্থ খরচের ক্ষমতা একীভূত ছিল, সেটাও কম করা হয়েছে। বাকি নজর রাখা হচ্ছে, যেখান থেকে দুর্নীতি হয়েছে, সেই জায়গাগুলিতে নজর রাখা হবে।