
কলকাতা: বাংলার হবু মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাত পোহালেই তাঁর শপথ। বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাতের পরই তা নিশ্চিত করে দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জয়ী হওয়ার পর বাংলায় এসে প্রত্যেক বঙ্গবাসীর কাছে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেন শাহ। কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেন ভবানীপুরের বাসিন্দাদের কাছেও। মানুষ যে এবার ভয়মুক্ত পরিবেশে নিজের মত ব্যক্ত করতে পেরেছেন, সে কথাই উল্লেখ করেন শাহ। পাশাপাশি এদিনও তাঁর কথায় উঠে আসে ভোট চুরি প্রসঙ্গ! আর তার নেপথ্যে কংগ্রেসের কথাও।
শাহ বলেন, “আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব মানুষ যাতে নির্বাচনের সময়ে নিজের অভিমত ব্যক্ত করতে পারেন, আর আমি এক্ষেত্রে বাংলার সমস্ত দলের সহযোগিতা চাই। কংগ্রেসেরও কথা বলতে চাই।” এরপরই কংগ্রেসকে খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, “কয়েক বছর ধরে কংগ্রেস নির্বাচনে জিততে পারছে না। অনেক জায়গায়। এখন ওরাও বুঝে গিয়েছে, নির্বাচন জেতা তো অসম্ভব, তাই নির্বাচনের প্রক্রিয়াই কলুষিত করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তাই রাহুল গান্ধী নিজের হেরে যাওয়াটা লুকোতে ভোট চুরি, EVM চুরি, SIR নিয়ে কাদা ছোড়াছুড়ির চেষ্টা করেছেন। আমরা তো ২০১৪ সাল থেকে শাসনে আছি, তামিলনাড়ুতে আপনাদের কোনও মুখ্যমন্ত্রী নেই। এটাও কি ভোট চুরি। বাংলাতেও মুখ্যমন্ত্রী নেই, সিকিমে, বিহার, গুজরাটে নেই। এগুলো কি ভোটচুরি?”
শাহর মতে, আসলে রাজনীতি করতে গেলে সবার আগে প্রয়োজন আত্ম সমালোচনা। নিজেকে পর্যালোচনা করা। আর সেকথা বলতে গিয়েই তিনি বলেন, “যারা রাজনীতিতে আত্ম অনুশীলন না করেন, তারা রাজনীতি করতে পারে না। এই জয় পুরো পূর্ব ভারতের জন্য বড় তাৎপর্যপূর্ণ।” এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, “৯ জেলা এমন রয়েছে, যেখানে দিদি খাতাও খুলতে পারেননি।”
প্রসঙ্গত, এবারের নির্বাচনেও বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর গণনার রাত থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ তুলেছেন, ১০০ বুথের ভোট লুঠ হয়েছে। রাহুলকে খোঁচা দিয়ে এবার তারই উত্তর দিয়ে গেলেন শাহ।