
কলকাতা: তিনি এতক্ষণে বিহারে পৌঁছে গিয়েছেন। কিন্তু তাঁর বার্তা দাগ কেটে গিয়েছে ফোর্ট উইলিয়ামের সামরিক সম্মেলনে। সোমবার কলকাতায় দেশের সামরিক নেতৃত্বের ‘যৌথ সেনাপতি সম্মেলন ২০২৫’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ফোর্ট উইলিয়ামে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনের শুরু হল মোদীর হাত ধরেই। যা চলবে আগামী ১৭ তারিখ পর্যন্ত। থাকবেন তিন সশস্ত্রবাহিনী প্রধান-সহ সেনার উচ্চপদস্থ কর্তারাও।
এদিনের এই সেনা সম্মেলনে মোদী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল-সহ তিন বাহিনী সিডিএস বা সর্বাধিনায়করা। সূত্রের খবর, সেনার আধুনিকীকরণ থেকে সংস্কার, মোদীর মুখে উঠে এসেছে প্রতিটি পর্যায়। লক্ষ্য স্থির হয়েছে “ইন্ডিয়ান আর্মড ফোর্স ভীষণ ভিশন ২০৪৭”-র।
ফোর্ট উইলিয়াম সূত্রে খবর, ভাষণে মোদীর মুখে শোনা গিয়েছে সেনার প্রশংসা। অপারেশন সিঁদুরের সময় যেভাবে পাকিস্তানি সন্ত্রাসবাদীদের নাস্তানাবুদ করেছে ভারতীয় সশস্ত্রবাহিনী, তাতে ‘খুশি’ প্রধানমন্ত্রী। সেনার রণকৌশল প্রসন্ন করেছে তাঁকে। তবে এই প্রশংসা মোদীর ভাষণের একটা ছোট্ট অংশ। আত্মমুগ্ধতা নয়, বরং পরিবর্তনেই জোর দিয়েছেন তিনি। তাঁর গোটা ভাষণ জুড়ে জায়গা পেয়েছে সেনাবাহিনীর আধুনিকীকরণ, সংস্কার এবং রণকৌশলে আমূল উন্নয়নের কথা।
সেনার আধুনিকীকরণ যাতে কোনও ভাবে শ্লথ না হয়ে পড়ে সেনাকর্তাদের সেই দিকে মন দিতে বলেছেন তিনি। নির্দেশ দিয়েছেন, ভারতীয় সেনার কাছে যে পরিমাণে যুদ্ধবিমান এবং যুদ্ধজাহাজ রয়েছে, তা বৃদ্ধিরও। পাশাপাশি, ড্রোন প্রযুক্তি ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর কথাও উঠে এসেছে তাঁর ভাষণে।