
কলকাতা: তৃণমূল রাজ্যের ৪২টি আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে ইতিমধ্যেই। বিজেপিও প্রথম দফায় বাংলার বেশ কয়েকটি আসনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত বামেদের তরফে কোনও তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। আজ, বৃহস্পতিবার প্রথম তালিকা প্রকাশ্যে আসার কথা। খসড়া ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে বলে সূত্রের খবর। সবকটি আসনে নাম ঘোষণা না হলেও, গুরুত্বপূর্ণ আসনে প্রার্থীদের নাম সামনে আনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। শরিকদের সঙ্গে একদফা বৈঠক আগেই করেছে সিপিএম নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবার প্রথমে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে অর্থাৎ সিপিএম এবং অন্য শরিকরা আলাদা আলাদা করে বৈঠক করবে। তারপর হবে বামফ্রন্টের বৈঠক।
কংগ্রেসের সঙ্গে আলোচনার দরজা খোলা রেখেই প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতে চলেছে। ১০ থেকে ১২টি আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।
বরাবর বসিরহাটে লড়াই করেছে সিপিআই। এবার সেই বসিরহাট কেন্দ্র সিপিএম-কে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। আর বনগাঁর আসনে সিপিআইকে লড়াই করার অনুরোধ জানানো হয়েছে সিপিএম-এর তরফে। সন্দেশখালি-কাণ্ডে যে নিরাপদ সর্দারের নাম সামনে এসেছিল, তাঁকেই এবার বসিরহাট কেন্দ্র থেকে টিকিট দেওয়া হতে পারে।
অন্যদিকে, সুজন চক্রবর্তীর নাম কোন কেন্দ্রের জন্য ঘোষণা করা হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। দমদম ও তমলুক- এই আসন নিয়ে চর্চা চলছে আলিমুদ্দিনের অন্দরে। এর মধ্যে একটিতে ঘোষণা করা হতে পারে সুজনের নাম।
সূত্রের খবর, যাদবপুর কেন্দ্রে টিকিট দেওয়া হতে পারে সৃজন ভট্টাচার্যকে, শ্রীরামপুর বা হাওড়া থেকে লড়তে পারেন দীপ্সিতা ধর। আর একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারের প্রার্থীর নামও ঘোষণা হতে পারে বৃহস্পতিবার। ওই কেন্দ্রে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়তে পারেন প্রতিকুর রহমান। মুর্শিদাবাদ থেকে লড়তে পারেন মহম্মদ সেলিম, হাওড়ায় এগিয়ে রয়েছেন সুমিত্র অধিকারী ও দক্ষিণ কলকাতায় সায়রা শাহ হালিমের ওপরেই আস্থা রাখতে পারে সিপিএম।
এছাড়া আলিপুরদুয়ার থেকে মিলি ওরাও, বালুরঘাট থেকে জয়দেব সিদ্ধান্ত, জয়নগর থেকে সমরেন্দ্রনাথ মণ্ডল, মেদিনীপুর কেন্দ্র থেকে বিপ্লব ভট্ট ও ঘাটাল কেন্দ্র থেকে সৈকত গিরিকে টিকিট দেওয়া হতে পারে।
শরিক দলদের ইতিমধ্যেই সিপিআইএম জানিয়েছে, জোট হলে প্রত্যেকের কোটা থেকে কিছু আসন ছাড়তে হবে।