
কলকাতা: নির্বাচন কমিশনে হলফনামা জমা দেওয়ার আগেই নাকি সব হলফনামা ছিনতাই করার চেষ্টা হয়েছে। সোমবার সকালেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এই অভিযোগ জানিয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee)। অন্যদিকে, ওই শিবিরের আর এক বিধায়ক আখরুজ্জামান জানালেন, ঠিক কীভাবে ওই লরি হাইজ্যাক করার চেষ্টা হয়। এদিনই সুপ্রিম কোর্ট ঋত-শিবিরকে উত্তর দেওয়ার জন্য আরও ১০ দিন সময় দিয়েছে।
আখরুজ্জামান জানিয়েছেন, লরিতে করে হলফনামা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছিল। হরিয়ানার বর্ডারে অস্ত্র দেখিয় লরিটা অন্যদিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। পিছনে দলের গাড়ি ছিল। লরিতে কয়েক লক্ষ হলফনামা ছিল বলে দাবি করেছেন তিনি।
কাদের বিরুদ্ধে নথি ছিনতাইয়ের অভিযোগ? এই প্রশ্নের উত্তরে আখরুজ্জামান বলেন, “আমাদের প্রতিপক্ষ কালীঘাট। আমাদের হাতে কয়েক লক্ষ কর্মীর হলফনামা আছে। কালীঘাটের কাছে এত কর্মী নেই। ওরাই হাইজ্যাক করেছে।” বিধায়কের দাবি, মমতা তৃণমূলের কাছে মাত্র কয়েক’শ বা কয়েক হাজার হলফনামা আছে।
আখরুজ্জামানের দাবি, কমিশনে ফাইল খুললেই বোঝা যাবে, মমতা-তৃণমূলের কাছে পর্যাপ্ত সংখ্যা নেই। হিয়ারিং হলে প্রমাণ হবে বলে মনে করেন তিনি। বিধায়ক আরও বলেন, “জোর করে এফিডেফিট তৈরি করার কালচার ওঁদের আছে। আমরা ওদের ছাত্র হলেও এই শিক্ষা নিইনি।” পুলিশকে ব্যবহার করে কারও কাছ থেকে হলফনামা নেওয়া হচ্ছে না বলেও দাবি করেছেন তিনি। বলেন, “পুলিশ ব্যবহার করলে তো ওই কয়েকজন বিধায়কও সঙ্গে থাকত না কুণাল ঘোষদের সঙ্গে।”