
নয়া দিল্লি: আসল তৃণমূল কারা, কাদের হাতে যাবে জোড়াফুল প্রতীক? কারা পাবেন দলের নাম? কমিশনের জবাবের জন্য কতদিন অপেক্ষা করতে হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আজ, বৃহস্পতিবার তৃণমূলের দুই শিবিরই নির্বাচন কমিশনে গিয়ে জমা দিয়ে এল সব নথি। বাইরে বেরিয়ে প্রতীক পাওয়ার ক্ষেত্রে আশা প্রকাশ করেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্য়ায়।
তিনি বলেন, “আমাদের বক্তব্য আমরা বলেছি। সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। প্রতীক নিয়ে কী হবে, সেই সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনকে বলেছি। আমরা আশাবাদী যে রায় আমাদের পক্ষেই যাবে। কমিশন কী করবে সেটা বলেনি। আমরা তো আর কমিশনকে বলতে পারি না কিছু। ভরসা রাখতে হবে।” নির্বাচন কমিশনের ভিতরে কী কথা হল, সেই প্রশ্নের উত্তরে ঋতব্রত স্পষ্ট বলেন, “কমিশনে কী কথা হয়েছে বলব না।”
রেজিনগর ও নন্দীগ্রামের নির্বাচন আসন্ন। দুই আসনেই প্রার্থী ঘোষণা করেছেন ঋতব্রতরা। তাই সব শিবিরই চাইছে, দ্রুত শুনানি করে রায় দিক কমিশন। ঋতব্রত শিবিরের তরফে এদিন এদিনই কমিশনে ডাকা হয়েছিল কালীঘাট শিবিরকেও। উপস্থিত হয়েছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়, মহুয়া মৈত্র। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায় পাল্টা বলেন, তাঁরা যা নথি ও তথ্য দিয়েছেন, তাতে রায় তাঁদের দিকেই যাবে।
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন, “পার্টির নাম প্রতীক নিয়ে শুধু উপ নির্বাচনের জন্য কোনও অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ নয়, চূড়ান্ত নির্দেশ দিক জাতীয় নির্বাচন কমিশন।”