
কলকাতা: সেই মহালয়ার সময় থেকেই নাকে আসছিল পচা একটা বিকট গন্ধ। সকলেই ভেবেছিলেন ইঁদুর-বিড়াল বা অন্য কোনও পশু মারা গিয়েছে হয়তো। কিন্তু খুঁজতে গিয়ে কিছুই পাওয়া যায়নি এমন। অথচ পচা গন্ধ বারবার ভেসে আসছে। শেষ পর্যন্ত আজ বন্ধ পড়ে থাকা একটি বিলাসবহুল গাড়ির ভিতর থেকে উদ্ধার হল এক ব্যক্তির দেহ। ইঁদুর বা অন্য কিছু নয়, ওই ব্যক্তির দেহ পচেই বিকট গন্ধ ছড়াচ্ছিল এতদিন ধরে।
কলকাতার বুকে পরিত্য়ক্ত গাড়ি থেকে উদ্ধার হল পচাগলা দেহ। কসবা থানা এলাকার রাজডাঙা মেন রোডে একটি বিলাসবহুল গাড়ির ভিতর থেকে পচাগলা দেহ উদ্ধার ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত ব্যক্তির নাম, পরিচয় এখনও জানা যায়নি। দেহটি উদ্ধার করে পাঠানো হচ্ছে ময়নাতদন্তের জন্য। ঘটনাস্থলে ইতিমধ্যেই উপস্থিত হয়েছে হোমিসাইড শাখা এবং সাইন্টিফিক উইং।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বছর দেড়েক যাবৎ গাড়িটি ওই গ্যারেজের মধ্যে আছে। বের করা হয় না, তাই ধুলোর পরত জমে গিয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরেই দুর্গন্ধ আসছিল এলাকায়। সেই মহালয়ার সময় থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের নাকে একটা পচা গন্ধ আসছিল। দিন যত গিয়েছে, দুর্গন্ধের তীব্রতা ততই বেড়েছে। সকলেই ভেবেছিলেন যে কোনও পশু হয়তো মারা গিয়েছে। এদিন প্রবল দুর্গন্ধ বের হতে থাকায় কসবা থানার পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ পৌঁছে গাড়ির ভিতরে এক ব্যক্তির পচা গলা দেহ দেখতে পায়।
পুলিশের দাবি, ময়নাতদন্তের পর কীভাবে মৃত্যু তা স্পষ্ট হবে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে কীভাবে ওই ব্যক্তির দেহ গাড়ির ভিতরে পৌঁছল! তাহলে কি অন্যত্র খুন করে, দেহ এনে গাড়ির ভিতরে রেখে দেওয়া হয়েছিল?ঘটনাস্থলের আশেপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখার কাজ শুরু করেছে পুলিশ।