Samik on Academy of fine arts: ‘এবার ডিম আমাদের মাথায় পড়বে, ডিম খেতে রাজি নই’, কেন সাবধান করলেন শমীক

Samik Bhattacharya: নাট্যব্যক্তিত্ব মেঘনাদ ভট্টাচার্য বলেন, "আমাদের থিয়েটারের দলের মধ্যে রাজনৈতিক দলের লোকজন থাকে। বামপন্থীদের সংখ্যা বেশি। কিন্তু অন্যরাও ছিল। কিন্তু কেউ কোনও দিন অ্যাকাডেমিতে প্রভাব বিস্তার করেনি। এটা তো প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা। অথচ শমীকবাবুরা বলেছিলেন কোনও একাধিপত্ব চলবে না। আমরা কাজ করতে পারব নিজেদের মতো করে। কিন্তু কনফারেন্স রুমে রোজ দিন রাজনৈতিক সাংস্কৃতিক কর্মীদের মিটিং হবে, এটা তো আমাদের উপর প্রভাব বিস্তারের কারণ বলে মনে করছি।"

Samik on Academy of fine arts: এবার ডিম আমাদের মাথায় পড়বে, ডিম খেতে রাজি নই, কেন সাবধান করলেন শমীক
শমীক ভট্টাচার্য, রাজ্যসভাপতি, বিজেপিImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Jul 12, 2026 | 4:35 PM

কলকাতা: বিজেপি সরকার বাংলায় আসার পর ইতিমধ্যেই রাস্তার নাম পরিবর্তন হয়েছে। কিছু রাস্তার রং গেরুয়া হতে শুরু হয়েছে। এমনকী, সরকারি স্কুলের পোশাকের রং-ও বদলাতে পারে। আগে যে রং ছিল তা ফিরিয়ে আনা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। এই আবহে এবার অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসে গেরুয়া রং নিয়ে বিতর্ক। নিরাপত্তা কক্ষের রং হয়ে গেল গেরুয়া। সামনে রাখা হল ভারত মাতার প্রতিকৃতি। বাংলার সংস্কৃতির পীঠস্থানকে কেন গেরুয়া করা হল? প্রশ্ন শিল্পীদের একাংশের। মত চাপানোর রাজনীতি করার অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে। এরপরই চিঠি পাঠানো হয় বিজেপির রাজ্যসভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের কাছে। বিষয়টি জানতে পেরেই তীব্র প্রতিবাদ করেন তিনি। পাশাপাশি অতি উৎসাহী বিজেপি কর্মীদেরও সাবধান করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। বলেন, “এই মুহূতে আমারও বয়স হয়ছে, চুল পাতলা হয়ে গেছে। ডিম খেতে আমি রাজি নই।

বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “আমি চিঠি পড়ছি। শিল্প-সংস্কৃতি জগতের কোনও দখলদারির পক্ষে বিজেপি নয়। তাই এটা হবে না। কেউ-কেউ একটু অতি বিজেপি হয়ে গিয়েছে। তাঁদের পার্টি নিয়ন্ত্রণ করে দেবে।” তিনি আরও বলেন, “যে যেটা পারেন না, সে সেটা করবেন না। যে যেটা পারেন সে সেইটাই করবেন। আগে অতীতের সরকার কিছু ফেবারিটিজম করেছে। কিন্তু এই সবের পরিবর্তনের জন্যই তো বিজেপি এসেছে। সেই কাজ আমাদের দল শুরু করলে ডিম আমাদের মাথায় পড়বে। আর আমার বয়স হয়েছে, চুল পাতলা হয়েছে, ডিম খেতে আমি রাজি নই। তাই এই কাজ করতে দেব না।”

এই প্রথম দেখা গেল অ্যাকাডেমিতে এমন গেরুয়া রং করা হয়েছে। আর তারপরই বিতর্ক তৈরি হয়। নাট্যব্যক্তিত্ব মেঘনাদ ভট্টাচার্য বলেন, “আমাদের থিয়েটারের দলের মধ্যে রাজনৈতিক দলের লোকজন থাকে। বামপন্থীদের সংখ্যা বেশি। কিন্তু অন্যরাও ছিল। কিন্তু কেউ কোনও দিন অ্যাকাডেমিতে প্রভাব বিস্তার করেনি। এটা তো প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা। অথচ শমীকবাবুরা বলেছিলেন কোনও একাধিপত্ব চলবে না। আমরা কাজ করতে পারব নিজেদের মতো করে। কিন্তু কনফারেন্স রুমে রোজ দিন রাজনৈতিক সাংস্কৃতিক কর্মীদের মিটিং হবে, এটা তো আমাদের উপর প্রভাব বিস্তারের কারণ বলে মনে করছি।” নাট্য ব্যক্তিত্ব বিভাস চক্রবর্তী বলেন, “বোকার মতো কাজ। গায়ে গেরুয়া বা লাল মাখালে আমি তাই হয়ে গেলাম? আগ বাড়িয়ে বেশি কাজ করতে যায়।”

Follow Us