AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

শমীক ভট্টাচার্য

শমীক ভট্টাচার্য

শমীক ভট্টাচার্য হলেন বঙ্গ বিজেপির বর্তমান সভাপতি। বাংলা থেকে রাজ্যসভার সাংসদও। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে গেরুয়া শিবিরের একাধিক দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

শমীক ভট্টাচার্যের জন্ম ১৯৬৩ সালের ৫ নভেম্বর। অসমের মালিগাঁওয়ে। ছোটবেলাতেই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘে যোগ দেন। আটের দশকের প্রথম দিকে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। সুরেন্দ্রনাথ কলেজ থেকে বিএ পাশ করেন ১৯৮৮ সালে।

নয়ের দশকের শুরু থেকেই পদ্ম শিবিরের একাধিক দায়িত্ব পালন করেছেন। দক্ষিণ হাওড়া মণ্ডলের ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পরে হাওড়া জেলার সাধারণ সম্পাদক হন। দীর্ঘ ১১ বছর ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার রাজ্য সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও সামলেছেন। পরপর তিনবার বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদকও হয়েছেন।

২০০৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনে শ্যামপুকুরে হেরে যান তিনি। ২০১৪ সালে বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। জিততে পারেননি। তবে ২০১৪ সালে বসিরহাট দক্ষিণ বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে জয়ী হন তিনি। বাংলায় তিনি বিজেপির দ্বিতীয় বিধায়ক নির্বাচিত হন।

২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে হেরে যান তিনি। এরপর উনিশের লোকসভা নির্বাচন ও একুশের বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও জিততে পারেনি। ২০২০ সাল থেকে পাঁচ বছর রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৪ সালের এপ্রিলে বাংলা থেকে রাজ্যসভার সাংসদ নির্বাচিত হন। আর ২০২৫ সালের ৩ জুলাই সুকান্ত মজুমদারের জায়গায় রাজ্য বিজেপির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

Read More

Kamarhati Municipality: বরদাস্ত করবেন না বলেছিলেন শমীক, ১৮ দিনের মাথায় কামারহাটির চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা লকেটের দাদার

মঙ্গলবার বিকেলে মহকুমা শাসকের কাছে সুশান্ত চট্টোপাধ্যায় ইস্তফা পত্র জমা দেন। তাঁর সঙ্গে আরও ষোলো জন ইস্তফাপত্র। ফলত, ভেঙে গেল কামারহাটি পুরসভার পুরবোর্ড। এখন পুরসভা কে চালাবেন মহকুমা শাসক ঠিক করবেন। তিনিই আপাতত কাজ ঠিক করবেন ও এই পুরসভা চালাবেন।

‘কে কণ্ঠ দিতে গেলেন, কে খাটের তলায় লুকোলেন…’, ভাবতে রাজি নন শমীক

ডিজে মামলায় বুধবার বিধাননগর আদালতে গিয়ে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিয়েছেন কালীঘাট তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই নিয়ে প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, "কে জেলে গেলেন, কে খাটের তলায় লুকোলেন, কে কণ্ঠস্বর দিতে গেলেন, তা নিয়ে আমাদের কোনও মাথাব্যথা নেই। মানুষও এই নিয়ে ভাবছেন না। আমরা ১ বছরে রাজ্যে একটা উন্নয়নের পরিবেশ তৈরি করতে চাই, যাতে মানুষ পরিবর্তন উপলব্ধি করতে পারেন।"

‘আমি কড়া মানুষই নই’, কেন বললেন শমীক?

দুর্গাপুজোয় বিজেপি নেতা-বিধায়কদের সভাপতি না হওয়ার বার্তা দিয়ে গতকাল শমীক বলেছিলেন, “আমি বার্তা দিয়েছি, পুজো দখল থেকে বিরত থাকুন। বিধায়কদেরও বলছি, যে এলাকার বিধায়ক হয়েছেন, সেখানকার পুজোর সভাপতি হন। কিন্তু, বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে প্রেসিডেন্ট হবেন, সেটা চলবে না।” এদিন তাঁকে সাংবাদিকরা বলেন, 'আপনি দলের বিধায়কদের কড়া বার্তা দিয়েছেন।' তখন শমীক বলেন, "আমি কড়া মানুষই নই, আমার চেহারা দেখেছেন!"

Luxury bus service: ‘এতদিন শুধু দেখছি, দেখব ছিল’, পালাবদল হতেই কলকাতা থেকে দেশের ৪ শহরে শুরু বাস পরিষেবা, জেনে নিন ভাড়া

Kolkata luxury bus service: শমীক ভট্টাচার্য বলেন, "বর্তমান সরকার জীবনের সর্বস্তরে একটা আধুনিকতার ছোঁয়া আনতে চাইছে। যাত্রী পরিষেবায় স্বাচ্ছন্দ্য আনতে চাইছে। শুধুমাত্র সরকারি বাস দিয়ে সামগ্রিকভাবে তো পরিষেবা দেওয়া সম্ভব নয়। আমরা যেমন পিপিপি মডেল স্বাগত জানাচ্ছি। একইরকমভাবে, বেসরকারি সংস্থাগুলির উপর থেকে জুলুমবাজি বন্ধ করে তাদের লাইসেন্স, পারমিট পাওয়ার প্রক্রিয়া অনেক সরলীকরণের চেষ্টা করছি। আজকে প্যান ইন্ডিয়ায় এই প্রচেষ্টা আমাদের রাজ্যের এক উদ্যোগপতি নিয়েছেন।"

Samik Bhattacharya: ‘দুর্গাপুজো দখল করা যাবে না’, বিজেপি বিধায়কদের আগেভাগে বড় বার্তা দিলেন শমীক

Samik Bhattacharya on Durga Puja Committees: কলেজ স্কোয়ারের পুজোর সভাপতি হওয়া নিয়ে জল্পনা প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, "কলেজ স্কোয়ার অত্যন্ত ঐতিহ্যমণ্ডিত দুর্গাপুজো। সমাজের বহু বরেণ্য মানুষ এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ওঁরা আমার কাছে এসেছিলেন। ১৬ তারিখ খুঁটিপুজোয় আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। আমি সেখানে যাব। তবে কোনও দুর্গাপুজোর সভাপতি আমি হব না।"

Kolkata Airport: কলকাতা বিমানবন্দর থেকে সরবে বাঁকড়া মসজিদ, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু বললেন…

Kolkata Airport Bankra Mosque Relocation: সোশ্যাল মিডিয়ায় শমীক ভট্টাচার্য লেখেন, 'ভারতীয় জনতা পার্টির অবস্থান স্পষ্ট—উন্নয়নের পথে কোনও বাধা নয়। সকল ধর্মের প্রতি সম্মান রেখেই এমন সমাধান চাই, যাতে মানুষের ধর্মীয় অধিকারও অক্ষুণ্ণ থাকে এবং কলকাতা পায় আরও একটি পূর্ণাঙ্গ রানওয়ে, ভবিষ্যতে একটি বিশ্বমানের এরোসিটি, আরও বেশি আন্তর্জাতিক উড়ান, নতুন বিনিয়োগ এবং হাজার হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ। উন্নয়নের রাজনীতি—তুষ্টিকরণের নয়। কলকাতাকে বিশ্বমানের বিমান চলাচলের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতেই এই পরিবর্তন জরুরি।'

Samik on Academy of fine arts: ‘এবার ডিম আমাদের মাথায় পড়বে, ডিম খেতে রাজি নই’, কেন সাবধান করলেন শমীক

Samik Bhattacharya: নাট্যব্যক্তিত্ব মেঘনাদ ভট্টাচার্য বলেন, "আমাদের থিয়েটারের দলের মধ্যে রাজনৈতিক দলের লোকজন থাকে। বামপন্থীদের সংখ্যা বেশি। কিন্তু অন্যরাও ছিল। কিন্তু কেউ কোনও দিন অ্যাকাডেমিতে প্রভাব বিস্তার করেনি। এটা তো প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা। অথচ শমীকবাবুরা বলেছিলেন কোনও একাধিপত্ব চলবে না। আমরা কাজ করতে পারব নিজেদের মতো করে। কিন্তু কনফারেন্স রুমে রোজ দিন রাজনৈতিক সাংস্কৃতিক কর্মীদের মিটিং হবে, এটা তো আমাদের উপর প্রভাব বিস্তারের কারণ বলে মনে করছি।"

Samik Bhattacherjee: ‘লাক্স পরিবারের কর্ণধার একদিন সকালে আমার বাড়ি এলেন’, কী কী বলেছিলেন জানালেন শমীক

Samik Bhattacharya News: শমীক ভট্টাচার্য বলেন, "সমস্ত শিল্পপতিরা আসছেন আমাদের দলীয় কার্যালয়ে। তার কারণ আগে বামফ্রন্ট সরকার ছিল, তৃণমূল সরকার ছিল। কিন্তু কখনও পশ্চিমবঙ্গ সরকার ছিল না। আজ সবাই এগিয়ে আসতে চাইছে। আমাদের পাহাড় আছে। নদী আছে। প্রভূত পরিমাণে খনিজ সম্পদ আছে।"

Samik Bhattacharya: কামারহাটি পৌরসভার নতুন চেয়ারম্যান লকেটের দাদা, গঙ্গাজল দিয়ে চেয়ার পরিষ্কারের বার্তা শমীকের

Samik Bhattacharya Reacts to Kamarhati Municipality Chairman: তাঁর দাদার চেয়ারম্যান হওয়া নিয়ে বিতর্ক বাধতেই লকেট বলেন, "সম্পর্কে দাদা হতেই পারেন। কিন্তু, তিনি একজন নির্দল কাউন্সিলর। তাঁদের ওখানে কী করে বোর্ড হয়েছে, তা তাঁরা জানেন। আমার কিছু বলার নেই। তবে যেমন নিয়ম রয়েছে, তেমন হওয়া উচিত।"

Samik Bhattacharya: বাংলায় বিনিয়োগ আনতে মুম্বইয়ে ‘বড় চাল’ শমীকের, কী বললেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি?

Samik Bhattacharya meets industrialists in Mumbai: বাম এবং তৃণমূল জমানায় যেসব শিল্পপতি কলকাতা ছেড়ে মুম্বই পাড়ি দিয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে গতকাল মুম্বইতে বৈঠক করেছেন বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বাংলায় বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর শিল্প বান্ধব পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। তাদের ফের বাংলায় ফিরে আসার এবং বিনিয়োগের আবেদন করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি। এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য আবেদন করেছেন তিনি।