
কলকাতা: বৃহস্পতিবার রাতে রীতিমতো উত্তেজনা ছড়িয়েছিল ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে। রাতে পৌঁছে গিয়েছিলেন খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। স্ট্রং রুম নিয়ে বড় অভিযোগও ওঠে তৃণমূলের তরফে। আর শনিবার সকালে সেখানে ফের পৌঁছে গেলেন বিদায়ীট মন্ত্রী শশী পাঁজা। এদিন শ্যামপুকুরের তৃণমূল প্রার্থীকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে।
শনিবার সকাল ১১টা নাগাদ শশীকে দেখা যায় ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের দিকে হেঁটে যেতে। সেখানেই প্রথমে তাঁকে আটকে দেয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। পরে তাঁকে ঢুকতে দেওয়া হয়। এদিকে, ফের নতুন করে অভিযোগ উঠেছে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে এমন একটি ঘরে ৮টি ইভিএম রাখা হয়েছে, যা সিসিটিভি নজরদারির মধ্যে পড়ে না। ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনে।
বৃহস্পতিবার রাতে প্রার্থীদের মধ্যে বচসা থেকে কর্মীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা, সবই চলল পুরোদমে। সাংবাদিক বৈঠকেও বসে কমিশন। সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন খোদ সিইও মনোজ আগরওয়াল। সঙ্গে ডিইও নর্থ স্মিতা পাণ্ডে। কমিশন সাফ জানিয়ে দেয়, যে সমস্ত অভিযোগ নিয়ে চাপানউতোর চলছে তা সর্বৈব মিথ্যে।
ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা রয়েছে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের। এলাকা ঘিরে ফেলেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। রয়েছে কলকাতা পুলিশ। যে মূল প্রবেশদ্বার দিয়ে ঢুকতে হবে, তার উচ্চতা ৮ ফুট। ঠিক পাশেই রয়েছে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম, যা গণনাকেন্দ্র। কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা আটকাতে সবরকমের নিরাপত্তার বন্দোবস্ত রাখা হয়েছে। গণনাকেন্দ্রের সামনে দুমানুষ সমান লৌহপ্রাচীর দেওয়া হয়েছে। ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে ইতিমধ্যেই।