
কলকাতা: রাজ্যপাট গিয়েছে। রাজত্ব আর সামান্য যেটুকু অংশে বাকি ছিল, তাও এখন প্রায় নেই বললেই চলে। ছোট লালবাড়ি কার্যত হাতছাড়া তৃণমূলের। রাজ্য বিধানসভায় ভরাডুবির পর থেকেই ভাঙন ধরতে শুরু করেছে তৃণমূলে। একাধিক বিধায়ক-সাংসদের গলায় বিদ্রোহের সুর। শুধু তাই নয়, পুরসভাও যেখানে তৃণমূলের দখলে ছিল, সেখানেও ভাঙন ধরে। একাধিক পুরবোর্ড ভাঙতে শুরু করে। রাজ্যজুড়ে একের পর এক কাউন্সিলরদের (TMC Councilor) ইস্তফা। কলকাতা পৌরনিগমেও টালমাটাল পরিস্থিতি দেখা দেয়। মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেন ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)। তাঁর ইস্তফার পর থেকেই পুরবোর্ড ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।এদিকে, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে দুর্নীতিতে জ়িরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। একের পর এক কাউন্সিলর (TMC Councilor Arrest) গ্রেফতার হচ্ছেন।
সম্প্রতি, পুলিশের পুলিশের জালে তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত। কলকাতা পৌরনিগমের ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন দাপুটে বাপ্পাদিত্য। তাঁর বিরুদ্ধে পাটুলির ঝিলপাড় এলাকার দোকান থেকে তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে। এই নিয়ে কলকাতা পৌরনিগমের মোট ৭ জন তৃণমূল কাউন্সিলরকে একাধিক অভিযোগে গ্রেফতার করে পুলিশ। এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার হওয়া কাউন্সিলরের তালিকায় কারা রয়েছেন, দেখে নিন
সুদীপ পোল্লে
কাউন্সিলর।১২৩ নম্বর ওয়ার্ড । বরো ১৬ চেয়ারম্যান। বড়িশা। বেহালা।
অরিজিৎ দাস ঠাকুর
১০৬ নম্বর ওয়ার্ড। কাউন্সিলর। গড়ফা।
সচিন সিং
কাউন্সিলর ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড। শিয়ালদহ।
মহেশ কুমার শর্মা
কাউন্সিলর। ৪২ নম্বর ওয়ার্ড।বড় বাজার।
বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত
১০১ নম্বর ওয়ার্ড। পাটুলি। তৃণমূল কংগ্রেস দলের মুখ্য সচেতক। কলকাতা পৌরসভা।
বিশ্বজিৎ মণ্ডল
১১৪ নম্বর ওয়ার্ড। পূর্ব পুটিয়ারি। কুঁদঘাট। জামিন পেয়ে গিয়েছেন।
মহম্মদ জসিমউদ্দিন
৩৯ নম্বর ওয়ার্ড। কলুটোলা। জোড়াসাঁকো।
এছাড়া, ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তথা ১২ নম্বর বরোর চেয়ারম্যান সুশান্ত কুমার ঘোষ ফেরার। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। এছাড়া আরও কয়েকজন কাউন্সিলর ব়্যাডারে রয়েছেন বলে খবর।