SSC Verdict: নিয়োগের ধাপে ধাপে নিয়ম ভাঙার ‘খেলা’ চলেছে, জানালেন আইনজীবী ফিরদৌস শামিম

SSC: ফিরদৌসের কথায়, এদিন আদালত বলেছে, ওএমআর শিট ম্যানুপুলেশন, র‍্যাঙ্ক জাম্প, নন-লিস্টেড ক্যান্ডিডেট অ্যাপয়েন্টমেন্ট, প্যানেলের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর নিয়োগ, রিজার্ভেশন পলিসি না মানা, রেশিও, ক্যাটাগরি না মানার মতো বিষয় উঠে এসেছে। নিয়োগের ধাপে ধাপে আইন ভাঙা হযেছে। নিয়মের ধার ধারেনি কেউ।

SSC Verdict: নিয়োগের ধাপে ধাপে নিয়ম ভাঙার খেলা চলেছে, জানালেন আইনজীবী ফিরদৌস শামিম
ফিরদৌস শামিম। Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সায়নী জোয়ারদার

Apr 22, 2024 | 5:46 PM

কলকাতা: এসএসসি মামলায় যোগ্য-অযোগ্যদের আলাদা করতে গিয়ে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছিল বলে দাবি আইনজীবী ফিরদৌস শামিমের। এই মামলায় যোগ্য বঞ্চিতদের পক্ষে মামলাকারী ছিলেন ফিরদৌস। তিনি বলেন, “যোগ্য এবং অযোগ্যদের আলাদা করা যায় কি না, আদালত বারবার সেই অপশন খুঁজেছে। কিন্তু এতই দুর্নীতি হয়েছে যে যোগ্য-অযোগ্য আলাদা করা যাচ্ছে না। ফলে একজন চাকরি পাচ্ছে, আরেকজন চ্যালেঞ্জ করছে। এরকম হলে তো নিরন্তর মামলা চলতে থাকবে। যা আদালতের কাছে কখনওই কাম্য নয়। তাই ‘নাল অ্যান্ড ভয়েড’ ঘোষণা করা ছাড়া আর কোনও পথ ছিল না।”

২০১৬-র এসএসসি নিয়োগের পুরো প্যানেল বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ। বাতিল প্যানেলের মধ্যে ২২ হাজারের বেশি কর্মরত। ফিরদৌস শামিম বলেন, “২৪ হাজার ৬৪০টি শূন্যপদ ছিল চারটি নিয়োগ প্রক্রিয়ায়। বোর্ড যে তথ্য দিয়েছিল ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের নিয়োগপত্র ইস্যু করে। সকলে চাকরি পেয়েছেন এমন নয়। ২২ হাজারের আশেপাশে হতে পারে। ফলে চাকরি কতজন পেয়েছে ডিআই বলতে পারবেন। প্রতি জেলায় নিয়োগপত্র ইস্যু হওয়ার পরও অনেকে যোগ দেননি।”

ফিরদৌসের কথায়, এদিন আদালত বলেছে, ওএমআর শিট ম্যানুপুলেশন, র‍্যাঙ্ক জাম্প, নন-লিস্টেড ক্যান্ডিডেট অ্যাপয়েন্টমেন্ট, প্যানেলের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর নিয়োগ, রিজার্ভেশন পলিসি না মানা, রেশিও, ক্যাটাগরি না মানার মতো বিষয় উঠে এসেছে। নিয়োগের ধাপে ধাপে আইন ভাঙা হয়েছে। নিয়মের ধার ধারেনি কেউ।

ফিরদৌস শামিমের কথায়, “আদালতের সামনে তিনটে পথ খোলা ছিল। এক, রিট পিটিশন বাতিল। দ্বিতীয়, দুর্নীতিগ্রস্ত ও দুর্নীতিমুক্তদের আলাদা করা। তৃতীয় হচ্ছে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াকে নাল অ্যান্ড ভয়েড ঘোষণা করা। রিট পিটিশন বাতিলের প্রশ্নই নেই। আর যোগ্য অযোগ্যদের আলাদা করাই যাচ্ছিল না। তাই তৃতীয় অপশনটি বেছে নিয়ে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াটি বাতিল করেছে।”

Follow Us