
শালবনী: কোন ছলে-বলে-কৌশলে সরকারি জমি নিজেদের বলে বিক্রি করা হত? সেই প্রশ্নের উত্তর পেতেই গ্রেফতার করা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়কে (Sumit Roy)। পরপর কয়েকদিন ধরে প্রায় ৮৮ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়েছিল সুমিত রায়। শীর্ষ আদালতে তিনি দাবি করেছিলেন, এক গুরুত্বপূর্ণ নেতার নাম তাঁর মুখ দিয়ে বলানোর চেষ্টা চলছে। এবার গ্রেফতার হওয়ার পর মুখ খুলেই ফেললেন সুমিত রায়।
আদালতে জমা দেওয়া নথিতে তদন্তকারীরা দাবি করেছেন, অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন সুমিত রায়। শুধু তাই নয়, এতদিন ধরে জিজ্ঞাসাবাদে যে তিনি সিআইডি-কে অসহযোগিতা করেছেন, সে কথাও কার্যত স্বীকার করেছেন অভিষেকের আপ্তসহায়ক। গত বৃহস্পতিবার তাঁকে গ্রেফতার করে সিআইডি। শুক্রবার তাঁকে আদালতে তোলা হয়।
মূলত শালবনীর জমি কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে সুমিত রায়কে। তাঁর অ্য়াকাউন্টে ১৫ কোটি টাকার লেনদেনের হদিশ মিলেছে। কোথা থেকে এল সেই টাকা, কেলেঙ্কারিতে আর কোনও বড় মাথা যুক্ত ছিল কি না, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। সুমিত আর কারও নাম সামনে আনে কি না, সেই প্রশ্ন থাকছে।
জানা গিয়েছে, হোটেলের একটা ঘর সবসময় বুক করা থাকত, জমি সংক্রান্ত ডিলের জন্য। কত টাকা নেওয়া হত, সেই টাকা আর কার কাছে যেত, সব তথ্য সুমিত জানাবেন বলে দাবি করেছেন, এমনটাই বলছেন তদন্তকারীরা।