কলকাতা ও নয়া দিল্লি: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) গ্রেফতার বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহাকে (Jiban Krishna Saha) জামিন দিল শীর্ষ আদালত। নবম-দশম নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় সিবিআইয়ের (CBI) হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। সেই মামলায় জামিনের আর্জি নিয়ে শীর্ষ আদালতের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। মঙ্গলবার সেই মামলায় জীবনকৃষ্ণের জামিন মঞ্জুর করল শীর্ষ আদালত। শাসক দলের বিধায়কের হয়ে এদিন শীর্ষ আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী মুকুল রোহাতগি ওঅনির্বাণ গুহ ঠাকুরতা।
এক বছরেরও বেশি সময় হয়ে গেল জেলবন্দি রয়েছেন বড়ঞার বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। সিবিআই তাঁর বাড়িতে হানা দিয়েছিল। দীর্ঘক্ষণ ধরে তল্লাশি অভিযান ও জিজ্ঞাসাবাদ পর্বের শেষে ২০২৩ সালের ১৭ এপ্রিল জীবনকৃষ্ণকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। তারপর থেকে ১৩ মাস হতে চলল, জেলেই রয়েছেন শাসক দলের বিধায়ক। এর আগে কলকাতা হাইকোর্টে জামিনের আর্জি জানিয়েছিলেন বটে, কিন্তু তা খারিজ হয়ে গিয়েছিল। এরপর জামিনের আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন জীবনকৃষ্ণ সাহা।
জামিনের আবেদনের শুনানি পর্বে সিবিআইয়ের তরফে আইনজীবী দাবি করেন, চাকরিপ্রার্থীরা টাকা ফেরত চাওয়ার পর জীবনকৃষ্ণ সাহা এবং চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিয়েছিল পুলিশ। পুকুরে ফেলে দেওয়া ফোন উদ্ধারের পর, সেই ফোন থেকে এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি সিবিআই আইনজীবীর।
কলকাতা ও নয়া দিল্লি: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) গ্রেফতার বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহাকে (Jiban Krishna Saha) জামিন দিল শীর্ষ আদালত। নবম-দশম নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় সিবিআইয়ের (CBI) হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। সেই মামলায় জামিনের আর্জি নিয়ে শীর্ষ আদালতের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। মঙ্গলবার সেই মামলায় জীবনকৃষ্ণের জামিন মঞ্জুর করল শীর্ষ আদালত। শাসক দলের বিধায়কের হয়ে এদিন শীর্ষ আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী মুকুল রোহাতগি ওঅনির্বাণ গুহ ঠাকুরতা।
এক বছরেরও বেশি সময় হয়ে গেল জেলবন্দি রয়েছেন বড়ঞার বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। সিবিআই তাঁর বাড়িতে হানা দিয়েছিল। দীর্ঘক্ষণ ধরে তল্লাশি অভিযান ও জিজ্ঞাসাবাদ পর্বের শেষে ২০২৩ সালের ১৭ এপ্রিল জীবনকৃষ্ণকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। তারপর থেকে ১৩ মাস হতে চলল, জেলেই রয়েছেন শাসক দলের বিধায়ক। এর আগে কলকাতা হাইকোর্টে জামিনের আর্জি জানিয়েছিলেন বটে, কিন্তু তা খারিজ হয়ে গিয়েছিল। এরপর জামিনের আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন জীবনকৃষ্ণ সাহা।
জামিনের আবেদনের শুনানি পর্বে সিবিআইয়ের তরফে আইনজীবী দাবি করেন, চাকরিপ্রার্থীরা টাকা ফেরত চাওয়ার পর জীবনকৃষ্ণ সাহা এবং চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিয়েছিল পুলিশ। পুকুরে ফেলে দেওয়া ফোন উদ্ধারের পর, সেই ফোন থেকে এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি সিবিআই আইনজীবীর।