মঙ্গলবার একুশে জুলাই। তার আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে তৈরি একুশে জুলাই নিয়ে ‘চট্টোপাধ্যায় কমিশনের’ রিপোর্ট প্রকাশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। তিনি জানিয়েছেন, পনেরো বছর রিপোর্ট প্রকাশ করেননি মমতা। এবার বিধানসভায় সেইটাই জনসমক্ষে আনলেন শুভেন্দু।
আজ শুভেন্দু অধিকারী যা যা বললেন এক নজরে সবটা (সর্বশেষ তথ্য উপরে)
শুভেন্দু অধিকারী: আমাদের কাছে আরও তথ্য আছে প্রয়োজন মতো সেগুলো প্রকাশ করব, আমফানের ক্যাগ রিপোর্ট ও কোভিডের মেডিক্যাল রিপোর্ট সব আছে। যা যা ধ্বংস করেছেন সব রাজ্যের লোককে জানাব।
শুভেন্দু অধিকারী: ১) রাইটার্স বিল্ডিং কীভাবে গুরুত্ব পূর্ণ নথি সংগ্রহ করতে পারছে না সেটা কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা রাজ্য সরকারের দায়িত্ব। তখন তৃণমূলের সরকার ছিল। ২) এর জন্য আইন সঙ্গত পদক্ষেপ করা উচিত। ৩)মৃত ভুক্তভোগীদের শহিদ হিসাবে গণ্য করা উচিত। ৪) যে ১২ জনকে ময়নাতদন্তের পর শহিদ হিসাবে চিহ্নিত করছে। মৃতদের পরিবারকে ২৫ লক্ষ টাকা আর আহতদের ৫ লক্ষ করে টাকা দেওয়ার সুপারিস করছে। তৃণমূল সরকার মৃতদের ২ লক্ষ টাকা ও আহতের ২৫ হাজার টাকা। লজ্জা করে না! এরপরও আপনারা এই সব করেন। আমি এই রিপোর্ট পেশ করে আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে বলব আপনারা আবার নতুন করে FIR করতে চান, সেই সুযোগ দেবে। আপনারা যদি চান সেই ক্ষতিপূরণ আমি দেব। আর যাঁরা আপনাদের ব্যবহার করে মন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী হলেন,বিদেশে গেলেন তাঁদের থেকে আপনারা দূরে থাকবেন।
শুভেন্দু অধিকারী: আইন অনুযায়ী তদন্ত হয়েছিল বলে কমিশন মনে করে না। নির্বাহী তদন্তের রিপোর্টের অনুপস্থিতি বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনার আলোচনার বাইরে চলে গিয়েছে। ফলে পুলিশি গুলি চালানোর যথার্থতা প্রমাণিত হয় না। কার নির্দেশে গুলি চালানো হয়েছিল, তৎকালীন পুলিশ কমিশনার অস্বীকার করেছেন। তৎকালীন মুখ্য়নন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথ্য দেননি। একটাও নথি দেননি। কারণ ওঁর বিদ্যুৎ মন্ত্রী ফেঁসে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। সমস্ত সাক্ষ্য থেকে কমিশনে দেখেছে, মহাকরণ থেকে দূরে জনতা অবস্থান করছিল। গুলি চালানো প্রয়োজন ছিল না। মহাকরণ আক্রমণের আশঙ্কা কাল্পনীক। গুলি চালানোর ঘটনা মহাকরণ থেকে অনেক দূরে হয়েছে। গুলি চালানো ছিল উদ্দ্যেশ্য বিহীন , বিনা প্ররোচনায়। রয়টার্স দখলের কথা ছিল কাল্পনিক।
শুভেন্দু অধিকারী: ৪৪ জনকে ডেকেছিল কমিশন। এর মধ্যে উল্লেখ যোগ্য নাম, বুবুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, মণীশ গুপ্ত,তুষার তালুকদার, রাজকুমার, সোমেন মিত্র
প্রভাস ঘোষ,বিমান বোস, পঙ্কজ বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্র,অনিন্দ্য জানা
অমিত ধর, প্রদীপ ভট্টাচার্য, তপন শিকদার, শোভনদেব, সৌগত রায়, অমিত ধর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডাকার প্রয়োজন মনে করেনি কমিশন। হয়ত আলাদা করে বলেছিলেন। তৎকালীন পুলিশ কমিশনারেরও সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছিল।
সবাই উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষী দিতে যাব না বলেছিলেন পঙ্কজ বন্দ্যোপাধ্যায়।