Suvendu Adhikari: সন্দেশখালি ইস্যুতে আদালতে বড় জয় শুভেন্দুর

Suvendu Adhikari: প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ,   সংবাদপত্রের প্রতিবেদন, রিপোর্টিং দেখে সন্দেশখালির আদিবাসী মহিলাদের পরিস্থিতি সম্পর্কে একটা ধারণা হচ্ছে। তাঁর পর্যবেক্ষণ, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে আদিবাসীদের জমি দখল করার জন্যই এখানে একটা ভায়োলেন্স তৈরি হচ্ছে।

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Feb 20, 2024 | 2:51 PM

কলকাতা: সন্দেশখালি যেতে বাধা নেই রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু  অধিকারী। জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হীরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। শর্তসাপেক্ষে শুভেন্দু ঢুকতে পারবেন সন্দেশখালি। শুভেন্দুর সঙ্গে কেবল যেতে পারবেন বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। কোনও দলীয় কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে যেতে পারবেন না শুভেন্দু। মঙ্গলবারের শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সন্দেশখালি নিয়ে নিজের আতঙ্কের কথাও ব্যক্ত করেছেন। প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ,   সংবাদপত্রের প্রতিবেদন, রিপোর্টিং দেখে সন্দেশখালির আদিবাসী মহিলাদের পরিস্থিতি সম্পর্কে একটা ধারণা হচ্ছে। তাঁর পর্যবেক্ষণ, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে আদিবাসীদের জমি দখল করার জন্যই এখানে একটা ভায়োলেন্স তৈরি হচ্ছে।

এর আগে সন্দেশখালির ঘটনায় যথেষ্ট উদ্বিগ্ন হতে দেখা গিয়েছিল বিচারপতি অপূর্ব সিনহা রায়কেও। গত সপ্তাহে তিনি একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলাও গ্রহণ করেন। সেই মামলার প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার আবার প্রধান বিচারপতি বলেন,  “তিনি একজন জেলা পরিষদের সদস্য। তিনি কোনভভাবেই আইন অমান্য করতে পারেন না। স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় তাঁকে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দিতে পারি।” নাম না করে এদিন শেখ শাহজাহান প্রসঙ্গে বলেন প্রধান বিচারপতি।  তাঁর পর্যবেক্ষণ,  “তিনি পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। ১৮ দিন কেটে গেলেও কিছু হয়নি। জানি না কেউ তাঁকে নিরাপত্তা দিচ্ছে কি না। তাঁকে না ধরলে ১৪৪ ধারা প্রয়োগের কী অর্থ? সাধারণ মানুষের ভোগান্তি হচ্ছে।”

এদিনের শুনানিতে শুভেন্দুর আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্য সওয়াল করেন, ” কোন আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হবে না। পাঁচের বেশি কেউ যাবেন না। দুজন বিধায়ক যাচ্ছেন। তাঁরা সন্দেশখালির আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলবেন।”  সেসময়ে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন করেন,  “আপনাদের কেউ কি ফলো করবেন? সাধারন মানুষদের আটকাবেন কীভাবে?”

শুভেন্দুর আইনজীবী তখন বলেন, “কিছু শর্ত আরোপ করতে পারেন।” তখন প্রধান বিচারপতি বলেন, “কিন্তু যদি বাধা দেন তাহলে সবাই অভিযোগ করবে। সমস্যা তৈরি হবে। মামলাকারী দুজন একমাত্র যেতে পারেন তাদের নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে। বাকিদের উপর ১৪৪ ধারা আরোপ করা যেতে পারে।”  প্রধান বিচারপতি বলেন,  ১৪৪ ধারার উপর সম্পূর্ণ স্থগিতাদেশ বন্ধ।
এজির তরফ থেকে বলা হয়, “মামলাকারীকে যেতে বাধা দিচ্ছি না। কিন্তু ১৪৪ ধারার উপর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হোক।”
প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট বলেন, ” সেবিষয়ে এখনই সিদ্ধান্ত নয়। সাত দিনে পরিস্থিতির উন্নত্তিও হতে পারে।” আপাতত শঙ্কর ঘোষকে নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী যাচ্ছেন সন্দেশখালি।

কলকাতা: সন্দেশখালি যেতে বাধা নেই রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু  অধিকারী। জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হীরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। শর্তসাপেক্ষে শুভেন্দু ঢুকতে পারবেন সন্দেশখালি। শুভেন্দুর সঙ্গে কেবল যেতে পারবেন বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। কোনও দলীয় কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে যেতে পারবেন না শুভেন্দু। মঙ্গলবারের শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সন্দেশখালি নিয়ে নিজের আতঙ্কের কথাও ব্যক্ত করেছেন। প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ,   সংবাদপত্রের প্রতিবেদন, রিপোর্টিং দেখে সন্দেশখালির আদিবাসী মহিলাদের পরিস্থিতি সম্পর্কে একটা ধারণা হচ্ছে। তাঁর পর্যবেক্ষণ, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে আদিবাসীদের জমি দখল করার জন্যই এখানে একটা ভায়োলেন্স তৈরি হচ্ছে।

এর আগে সন্দেশখালির ঘটনায় যথেষ্ট উদ্বিগ্ন হতে দেখা গিয়েছিল বিচারপতি অপূর্ব সিনহা রায়কেও। গত সপ্তাহে তিনি একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলাও গ্রহণ করেন। সেই মামলার প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার আবার প্রধান বিচারপতি বলেন,  “তিনি একজন জেলা পরিষদের সদস্য। তিনি কোনভভাবেই আইন অমান্য করতে পারেন না। স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় তাঁকে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দিতে পারি।” নাম না করে এদিন শেখ শাহজাহান প্রসঙ্গে বলেন প্রধান বিচারপতি।  তাঁর পর্যবেক্ষণ,  “তিনি পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। ১৮ দিন কেটে গেলেও কিছু হয়নি। জানি না কেউ তাঁকে নিরাপত্তা দিচ্ছে কি না। তাঁকে না ধরলে ১৪৪ ধারা প্রয়োগের কী অর্থ? সাধারণ মানুষের ভোগান্তি হচ্ছে।”

এদিনের শুনানিতে শুভেন্দুর আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্য সওয়াল করেন, ” কোন আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হবে না। পাঁচের বেশি কেউ যাবেন না। দুজন বিধায়ক যাচ্ছেন। তাঁরা সন্দেশখালির আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলবেন।”  সেসময়ে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন করেন,  “আপনাদের কেউ কি ফলো করবেন? সাধারন মানুষদের আটকাবেন কীভাবে?”

শুভেন্দুর আইনজীবী তখন বলেন, “কিছু শর্ত আরোপ করতে পারেন।” তখন প্রধান বিচারপতি বলেন, “কিন্তু যদি বাধা দেন তাহলে সবাই অভিযোগ করবে। সমস্যা তৈরি হবে। মামলাকারী দুজন একমাত্র যেতে পারেন তাদের নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে। বাকিদের উপর ১৪৪ ধারা আরোপ করা যেতে পারে।”  প্রধান বিচারপতি বলেন,  ১৪৪ ধারার উপর সম্পূর্ণ স্থগিতাদেশ বন্ধ।
এজির তরফ থেকে বলা হয়, “মামলাকারীকে যেতে বাধা দিচ্ছি না। কিন্তু ১৪৪ ধারার উপর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হোক।”
প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট বলেন, ” সেবিষয়ে এখনই সিদ্ধান্ত নয়। সাত দিনে পরিস্থিতির উন্নত্তিও হতে পারে।” আপাতত শঙ্কর ঘোষকে নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী যাচ্ছেন সন্দেশখালি।

Follow Us