
কলকাতা: বাংলাদেশ, নেপালের পর ভারতও দেখল ছাত্র আন্দোলন। তবে পড়শি দুই দেশের মতো এখানে সরকারের পতন হয়নি। বরং সরকার ছাত্রদের দাবি শুনেছে। পূরণ করেছে আন্দোলনকারীদের দাবি। ভারতের এই ছাত্র আন্দোলন দেখে কী বললেন তসলিমা নাসরিন (Taslima Nasrin)?
২০২৪ সালের ৫ অগস্ট। গোটা বিশ্ব দেখেছিল বাংলাদেশের ছাত্র গণ আন্দোলন। এই আন্দোলনের মুখেই পতন হয়েছিল আওয়ামী লিগ সরকারের। দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। এরপরে নেপালেও আন্দোলন হয়। সেখানেও সরকারের পতন হয়েছে। এর প্রভাবই কি পড়ল ভারতেও?
দিল্লিতে যন্তর মন্তরে আন্দোলন নিয়ে তসলিমা নাসরিন বলেন, “আমি এই আন্দোলন সম্পর্কে খুব একটা জানি না।
ছোট ভিডিয়ো ক্লিপ দেখে ২০২৪ এ বাংলাদেশে যে ছাত্র আন্দোলন হয়েছিল, ওটার মতোই মনে হয়েছে। ওই ছাত্র আন্দোলন আমাদের বোকা বানিয়েছিল। আমরা ভেবেছিলাম, ছাত্ররা এসেছে। ওরা কোটা চায় না। শেখ হাসিনা যা বলেছিলেন, তা উনি সংশোধন করে নিয়েছিলেন । শেষ পর্যন্ত সরকার পতন হয়েছে, আমরা দেখেছি এবং প্রমাণ পেয়েছি যে এই আন্দোলনের পিছনে জিহাদিরা ছিল। জিহাদিরাই করেছে। পরিণতিটা ভালো হয়নি। সেই জন্য আমি বলেছি যে ছাত্ররা যে জমায়েত করলেই বা আন্দোলন করলেই তার পরিণতি যে সবসময় ভালো হবে, তা নয়।”
হাসিনা সরকারের পতনের পর দুই পড়শি দেশের সম্পর্কে অবনতি হয়েছিল। আবার তারেক রহমানের সরকারের আমলে সেই সম্পর্ক কিছুটা হলেও শোধরাচ্ছে। ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক নিয়ে লেখিকা বলেন, “বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক ভবিষ্যতে কী হবে, তা রাজনীতিকরাই বলতে পারবে। আমি আশা করি, দুই দেশের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ হোক। আমরা ৭১-র যুদ্ধে দেখেছি যে ভারত কীভাবে বাংলাদেশকে সাহায্য করেছে। কিছু পাকিস্তানপন্থী আছে, যারা মুক্তিযুদ্ধ মানে না। আমরা চাই দুই দেশের সম্পর্ক ভালো হোক।”