
কলকাতা: ২১ জুলাইয়ের আগের রাত থেকেই পথে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এত বছর ধরে যাঁর নেতৃত্বে ২১ জুলাই, ‘শহিদ দিবস’ পালন করা হয়েছে, সেই নেত্রীকেই সোমবার রাতভর মঞ্চ আগলে বসে থাকতে দেখা গিয়েছে। সেই রাতেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাটপন্থী তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। হাইকোর্টের (Calcutta High Court) ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর কাছে অভিযোগ জানানো হয়। মঙ্গলবার সকালেই বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
১৫ বছর ধরে রাজ্য জুড়ে উৎসবের আকারে যারা ২১ জুলাই পালন করেছে, সে তৃণমূলকে এবার সভা করার জন্য আগেই হাইকোর্টে যেতে হয়েছিল। কত লোক হবে, সেই হিসেব দেওয়ার পর আদালত বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভা করার অনুমতি দেয়। নির্দিষ্ট সময়ও বেঁধে দেওয়া হয় মমতা নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের জন্য। সেই সভার আগেই ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে রাতে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, তাঁদের মঞ্চ ভেঙে দেওয়া হয়েছে, পতাকা ফেলে দেওয়া হয়েছে,মাইকের তার কেটে দেওয়া হয়েছে। সেই অভিযোগে রাতেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূল।
বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য প্রশ্ন করেন, ‘কী করে এটা হয়!’ তিনি উল্লেখ করেন, অ্যাডভোকেট জেনারেলের সামনে ১৫ জুলাই নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। তারপরেও কি করে এমন হয়? প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি। বিচারপতি বলেন, “জয়েন্ট কমিশনারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কোর্টের আশঙ্কা ছিল, এমন কোনও গোলমাল হতে পারে। তাই সুনির্দিষ্টভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এটা কোর্টের জন্যেও যথেষ্ট বিড়ম্বনার।” সকাল সাড়ে ১১ টায় পুলিশের বক্তব্য জেনে আসার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। তারপর ফের হবে শুনানি।