
কলকাতা: ভোট শেষের এক মাসের মাথাতেই ভেঙে তছনছ হয়ে গেল তৃণমূল। সব সাংগঠনিক পদের অবলুপ্তি। দল ভাগ হতেই এবার সব কমিটি ভেঙে দিল রাজ্যের প্রাক্তন শাসকদল। পদ হারালেন খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও? আর দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকও রইলেন না? একাংশের মত, আপাতত সাধারণভাবে তৃণমূলের সদস্য পদ ছাড়া তার আর অন্য কোনও পদ রইল না। এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসের অল ইন্ডিয়া চেয়ারপার্সন। তিনি তাঁর পদে থাকলেন কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। কারণ, সাধারণভাবে নির্বাচন কমিশনের দেশের যে নিয়ম রয়েছে তাতে নির্দিষ্ট গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে সব দলকেই যেতে হয়। হয় অভ্যন্তরীণ নির্বাচন। সেই অভ্যন্তরীণ ভোটের মাধ্যমেই বা নির্দিষ্ট গঠনততন্ত্র মেনে কাউকে সম্পাদক বা সভাপতি বা চেয়ারম্যানের মতো সর্বোচ্চ পদের জন্য নির্বাচন করেন দলের সদস্য়রা।
আর একাংশ বলছে, যেভাবে ইতিমধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে সমস্ত কমিটি ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও পদ অবলুপ্ত হয়ে যাওয়ার কথা। তাঁকে দলীয় সাংগঠনিক নির্বাচন থেকে নতুন করে নির্বাচিত হয়ে আসতে হবে। যদিও এখন তৃণমূল কী করবে তা ধোঁয়শা রয়েছে। ফলে মমতা ছাড়া আর কারও কোনও পদের যে অস্তিত্ব রইল না তা বলাই বাহুল্য। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ঝন্টু বরাইক বলছেন, তৃণমূলের মতো ডানপন্থী দল ক্ষমতার হাত বদল হলে আনুগত্যের মুখ পরিবর্তন করে ফেলে। এটাই স্বাভাবিক।
After careful consideration, it has been decided that all committees of the All India Trinamool Congress in West Bengal, as well as all its frontal organisations, shall stand dissolved with immediate effect.
The party will undertake a comprehensive exercise of introspection,…
— All India Trinamool Congress (@AITCofficial) June 3, 2026
অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের যতগুলি গণসংগঠন ছিল সেখানেও সব পদের অবলুপ্তি হয়ে গেল। সোজা কথায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদ, ট্রেড ইউনিয়ন, তৃণমূল যুব কংগ্রেস, মহিলা কংগ্রেসের মতো ফ্রন্টার অর্গানাইজেশনগুলিতেও সব পদ একইসঙ্গে অবলুপ্ত হয়ে গেল। রাজ্যস্তর থেকে জেলাস্তর পর্যন্ত যে সমস্ত সেক্রেটারি, প্রেসিডেন্ট যাঁরা যাঁরা ছিলেন তাঁদের সকলের পদই অবলুপ্ত হয়ে গেল।