
কলকাতা: পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বুধবার ইডি অফিসে হাজিরা দিয়েছেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক তথা ঋতব্রতপন্থী মদন মিত্র (Madan Mitra)। প্রায় সাড়ে সাত ঘণ্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন গোয়েন্দারা। পরে সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে কামারহাটির বিধায়ক জানালেন তিনি সব রকম ভাবে সাহায্য করেছেন কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের জানিয়ে দিয়েছেন তিনি কোনও রকম বেআইনি কোনও কাজকে মদত দেনওনি, করেনওনি।
বুধবার বেলা ১২টা বেজে ১৫ মিনিট নাগাদ সিজিও-তে যান কামারহাটির বিধায়ক। এর আগে এই পুরনিয়োগ মামলাতেই মদনের স্ত্রী ও দুই ছেলে হাজিরা দিয়ে গিয়েছেন ইডি অফিসে। গতকাল রাতে সিজিও থেকে বেরনোর পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি মদন। তিনি বলেন, “আমি সহযোগিতা করেছি। যা যা তথ্য ওরা চেয়েছেন সবটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।”
পরবর্তীতে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, “এবার পর আবার কি আপনাকে ডাকা হয়েছে?” উত্তরে বলেন, “আজ আর কিছু বলেনি। আমি কোনও ভাবেই বেআইনি কোনও কাজকে মদত দিইনি। আর কোনও দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নই। আমি যা জানি আমার পরিবারেরও কেউ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে নেই। যদিও, তাঁরা আলাদা থাকে…। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে তদন্ত করা। আর আমার কর্তব্য তাঁদের সহায়তা করা। ওরা যা যা নথি চেয়েছিল সব দিয়েছি। জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্র ছাড়া সব দিয়েছি।”
এখানে উল্লেখ্য, কামারহাটি পৌরসভায় অবৈধ নিয়োগ মামলায় নাম জড়ায় মদনের। জুন মাসেই তাঁর একাধিক বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। ভবানীপুরের বাড়ি ছাড়াও দক্ষিণেশ্বর-সহ একাধিক বাড়িতে হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। উদ্ধার হয় বেশ কিছু নথিপত্রও।