Madan Mitra: ‘আমি কিন্তু বলব আপনাদের জন্যই…’, ED দফতরে ঢোকার আগে চটে গেলেন মদন
Kolkata: সঙ্গ ছাড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আর শিবির বদল করেই তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে একহাত নেন তিনি। লাগাতার আক্রমণ শানাতে শুরু করেন। কিন্তু শিবির বদলানোর পরও দেখা গেল মদনকে তলব করল কেন্দ্রীয় এজেন্সি।

কলকাতা: পুরনিয়োগ দুর্নীতিতে (Municipality Scam Case) সমন গিয়েছে কামারহাটি পুরসভার বিধায়ক তথা ঋতব্রতপন্থী বিধায়ক মদন মিত্রকে। বুধবার হাজিরা দেওয়ার কথা তাঁর। সেই মতো ইডি-র দফতরে উপস্থিত হতেই সাংবাদিকরা ঘিরে ফেলেন তাঁকে। বারবার কেন তৃণমূল এই বিধায়ককে ডেকে পাঠানো হচ্ছে প্রশ্ন করেন তাঁরা। সেই উত্তরেই কার্যত মেজাজ হারান বিধায়ক। অভিযোগ করেন, সাংবাদিকরাই তাঁকে ভিতরে ঢুকতে দিচ্ছে না।
বুধবার মদন পৌঁছেছিলেন সিজিও অফিসে। গাড়ি থেকে পা রাখতেই তাঁকে উদ্দেশ্য করে নানাবিধ প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। তখন কামারহাটির বিধায়ক বলেন, “আমি যা বলার ইডিকে বলব।” তারপর তাঁর সংযোজন, “যদি আপনারা আমায় যেতে না দেন, আর আমার যদি দেরি হয় তাহলে আমি বলব আপনাদের জন্য যেতে পারিনি।”
এই প্রথম নয়, এর আগেও পুরনিয়োগ দুর্নীতিতে তলব করা হয় মদনকে। শুধু মদন নন, একই মামলায় তলব করা হয় তাঁর গোটা পরিবারকে। মদনের স্ত্রী, দুই ছেলে আগেই হাজিরা দিয়েছেন। এবার পালা তাঁর নিজের। এখানে উল্লেখ্য, কামারহাটি পৌরসভায় অবৈধ নিয়োগ মামলায় নাম জড়ায় মদনের। জুন মাসেই তাঁর একাধিক বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। ভবানীপুরের বাড়ি ছাড়াও দক্ষিণেশ্বর-সহ একাধিক বাড়িতে হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। উদ্ধার হয় বেশ কিছু নথিপত্রও।
গত ১৪ জুলাই ইডি নোটিস পাঠায় মদনের পরিবারকে। তারপর ওই দিন সন্ধ্যায় মদন হাজির এন্টালির তৃণমূল বিধায়ক তথা ঋতব্রত শিবিরের অপর সদস্য সন্দীপন সাহার বাবা তথা এন্টালির প্রাক্তন বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার বাড়িতে। দীর্ঘক্ষণ সেখানে বৈঠক করেন তিনি। তারপরের দিন সকালে বিধানসভায় ঋত শিবিরে যোগ দেন তিনি। সঙ্গ ছাড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আর শিবির বদল করেই তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে একহাত নেন তিনি। লাগাতার আক্রমণ শানাতে শুরু করেন। কিন্তু শিবির বদলানোর পরও দেখা গেল মদনকে তলব করল কেন্দ্রীয় এজেন্সি।
