
কলকাতা: ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের ঠিক আগে ঘাটালের সাংসদ দেব জানিয়ে দিয়েছিলেন, রাজনীতির সঙ্গ ত্যাগ করছেন তিনি। আর নয়। টিকিট পাওয়ার তো প্রশ্নই নেই। কিন্তু ভোট কাছাকাছি আসতেই আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মঞ্চে দেখা যায় তাঁকে। আবার টিকিট, আবার জয়, আবার সংসদ। রাজনৈতিক সন্ন্যাস তো দূর, বরং কেউ কেউ বলছেন রাজনৈতিক ‘সুবিধা’র দিকেই ঝোঁক রয়েছে দেবের।
বিগত ৭২ ঘণ্টায় দেবের যে বক্তব্য প্রকাশ্যে এসেছে, আর হাতে সই করা যে নথি প্রকাশ্যে এসেছে, তার মধ্যে কি আদৌ কোনও মিল আছে? প্রশ্ন উঠছে। প্রশ্ন উঠছে, অভিনেতা দেবের হাত আর মুখ কী আলাদা আলাদা কাজ করছে?
০৮.০৬.২০২৬- কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে একগুচ্ছ তৃণমূল সাংসদ বৈঠকে বসেন। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই দেবও হাজির ছিলেন বলে সূত্রের খবর।
০৯.০৬.২০২৬- সোশ্যাল মিডিয়ায় শুটিং সেটের ছবি পোস্ট করে লিখলেন ‘যেখানে আমার আসল জায়গা, সেখানেই ফিরলাম’। দেসু ৭-এর সেটে বলে ছবি পোস্ট করেন তিনি।
০৯.০৬.২০২৬- কোলাঘাটে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে প্রবেশ করতে দেখা গেল তাঁকে।
জল্পনা যখন তুঙ্গে, তখন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে দেব বললেন,-
“সারাজীবনই সৌজন্যের রাজনীতি করে এসেছি। এটা তো নতুন নয়। এখন যদি কেউ বলেন, দেব পাল্টে গিয়েছে! না, দেব পাল্টায়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য আমার ভালোবাসা সারাজীবন থাকবে। আমি নতুন তৃণমূলে যাচ্ছি না। যতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেঁচে আছেন, ততদিন তাঁর সঙ্গে আছি। ভবিষ্যতে কী হবে আমি বলতে চাইছি না। আমাকে বিশ্বাস করে ঘাটালের মানুষ ভোট দিয়েছেন। ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের স্বপ্ন নিয়ে শুভেন্দু দার কাছে এসেছি।”
১২.০৬.২০২৬- দেবের ওই বক্তব্যের ঠিক ৭২ ঘণ্টা পর ১২ জুন সকালে প্রকাশ্যে এসেছে একটি নথি। সেখানেই দেখা যাচ্ছে, ১৯ জন তৃণমূল সাংসদ সই করেছেন। তার মধ্য়ে রয়েছে দীপক অধিকারীর নাম।
নথিতে দেখা যাচ্ছে দেবের সই