
কলকাতা: বাদল অধিবেশনের সময় থেকেই সমস্যাটার কথা শোনা যাচ্ছিল। অভিযোগ ছিল, শাসকদলের অফিসে জল থাকলেও বিরোধীদের সংশ্লিষ্ট অফিস ছিল জলশূন্য। এমমকী বিধানসভার বিরোধী দলনেতার ঘরেও জল ছিল না বলে অভিযোগ সামনে এসেছিল। ক্ষোভও প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছিল বিজেপি বিধায়ক অশোক দিন্দাকে। সূত্রের খবর, শীতকালীন অধিবেশনের শুরু থেকেও বদলায়নি ছবিটা। বারবার একাধিক অভিযোগ উঠেছে বিধানসভার জলযন্ত্রণা নিয়ে। অভিযোগকারীদের তালিকায় যেমন সরকারি দলের বিধায়করা ছিলেন, তেমনই ছিলেন বিরোধী দলের বিধায়করা। সকলেরই একটাই অভিযোগ, পাওয়া যাচ্ছিল না জল।
এই অভিযোগে জেরবার হয়েই বিধানসভার অধ্যক্ষ শেষ পর্যন্ত জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তরের মন্ত্রী পুলক রায়কে নির্দেশ দেন বিধানসভার ভিতর একটি কমপ্লেন বক্স বসানোর জন্য। দফতরের মন্ত্রী পুলক রায়কে স্পিকার সাফ বলে দেন, সিপিআইএমের যে ঘর ছিল। তার পাশের বড় বারান্দা ফাঁকা রয়েছে। সেখানে একটা ড্রপ বক্স রেখে দিন। আপনার দফতরের একজন আধিকারিককে দায়িত্ব দিন। ২৯ তারিখ এসেছিল স্পিকারের নির্দেশ। ৩০ তারিখেই বসে গিয়েছিল কমপ্লেন বক্স। কিন্তু, তাতে কী কাজের কাজ কিছু হল?
এদিনই ছিল শীতকালীন অধিবেশনের শেষ দিন। সূত্রের খবর, অধিবেশন চলার সময় অনেকেই একই অভিযোগ করলেও এদিন কমপ্লেন বক্স খোলার পর দেখা যায় আদপে পড়েছে ১০টি চিঠি। এত অভিযোগের পর মাত্র হাতেগোনা চিঠি দেখে চোখ কপালে তুলছেন অনেকেই।