
কলকাতা: রাজ্যে পালা বদলের পরও সরকারি হাসপাতালে থ্রেট কালচারের অভিযোগ। সরকারি হাসপাতালের স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে প্রশ্ন তোলায় হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমনই অভিযোগ জুনিয়র ডাক্তারদের সংগঠনের। ফের অভীক-বিরুপাক্ষদের মতো নামই ঘুরে ফিরে আসছে। সরকারের বদলের পরও কেন সেই একই সংস্কৃতি প্রশ্ন ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডাক্তার ফোরামের’। স্বাস্থ্য মন্ত্রীর হস্তক্ষেপের দাবি।
চোর বাগানের ঘটনার পর সরকারি হাসপাতালের স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে একাংশ জুনিয়র চিকিৎসকরা প্রশ্ন তুলেছিলেন। এরপরই তাঁদের হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে দাবি করেন ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডাক্তার ফোরামের’ সদস্য দেবাশিস হালদার। রবিবার একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন তিনি। বলেন, “জুনিয়ররা যখন তাঁদের অভাব অভিযোগের কথা তুলে ধরেছে, তখন তাঁদের থ্রেট করা হচ্ছে। যাঁরা থ্রেট করেছে তাঁদের স্ক্রিনশট রয়েছে। আমরা পুলিশকে দিয়েছি।”
পরিবর্ত পরিস্থিতি কিছুই বদলায়নি বলে দাবি করে তিনি বলেন, “কে নেই এখানে। অভীক, বিরূপাক্ষরা… নব্য যাঁরা দল পাল্টে গেরুয়া দলে এসেছেন। NMO,ABVP তাঁরা একযোগে আক্রমণ করছেন। এমনকী বাড়িতে অবধি শাসকদলের থ্রেট যাচ্ছে। এই জিনিসটা কিন্তু আমরা মেনে নেব না। যে বিরূপাক্ষ বিশ্বাস সাসপেন্ডডেড, সে এসে বলছে পিটিয়ে মারা হবে। তাহলে থ্রেট কালচার কোথায় গেল? আর সেই ভিডিয়ো শেয়ার করছে এখনকার যাঁরা শাসকদল সবাই একসঙ্গে মিলে একইভাবে কাজ করছে।
সরকারে কে থাকল দেখার দরকার নেই। হুমকি এলে কিন্তু একসঙ্গে লড়ে নেব।”
স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় বলেন, “ওরা আমাদের প্রাণের এবং স্নেহের জুনিয়র। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দরজা খোলা। আমার পুত্রসম ভাইদের বলছি, আমার দরজা খোলা। আমি খুব ভালোবাসি উপদেশ শুনতে। কখনও ভাববেন না আমি আপনাদের বিপরীতপন্থী। রাজনৈতিক রীতি-নীতি অন্য জিনিস। তবে সব ডাক্তারদের নীতি এক। পঞ্চাশ বছরের বেহাল অবস্থান হাল পাঁচ মাসে সম্ভব নয়। একা স্বাস্থ্যমন্ত্রী সব ঠিক করে দেবে এমনটাও নয়। জুনিয়ররাও মিলিত ভাবে একসঙ্গে কাজ করবে।”