
কলকাতা: গেরুয়া পতাকা হাতে নিলেই টিকিট মিলবে না। পুরভোটের আগে সাফ বার্তা শমীক ভট্টাচার্যের (Shamil Bhattacharya)। বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতির নিশানায় এবার সদ্য দলে আসা স্বঘোষিত বিজেপি নেতারা। শমীকের হুঙ্কার, “কিছু মানুষ বিজেপির পতাকা নিয়ে গেরুয়া আবির লাগাচ্ছে। তাঁরা নিজেদের এমনভাবে প্রোজেক্ট করছে যেন তাঁরা ভবিষ্যতের প্রার্থী। এটা চলবে না।”
বিজেপির পতাকা নিয়ে পুজো বন্ধের চেষ্টা হলে কর্মীদের তা আটকানোর নির্দেশ দিয়েছেন শমীক। শনিবারের এক অনুষ্ঠান থেকে তিনি বলেন, “আমার দল সরকারে এসেছে, যদি কোনও বিচ্যুতি থাকে, তাহলে সেই বিচ্যুতি আপনাদের চোখে পড়বে। বন্ধ করে দেবেন সেই বিচ্যুতি। যদি দেখেন কেউ বিজেপির পতাকা নিয়ে গেরুয়া রং মাথায় নিয়ে দুর্গাপুজো কমিটি দখল করতে চলে গিয়েছে বা কোনও পুজো বন্ধ করতে চলে গিয়েছেন, তাঁকে সেখানে আটকাবেন। সেই দায়িত্ব আপনার। দখলদারি রাজনীতি বন্ধ করার জন্য ভোট দিয়েছেন। আমাদের ভোট দিয়েছেন জামার ভিতরের মানুষটাকে পরিবর্তন করার জন্য। জামা পরিবর্তন করার জন্য নয়। আগেও অনেক মানুষ আমাদের কাছে আসবেন। শাসকদলের কাছে আসাটাই স্বাভাবিক। চোখে-মুখে বিনয়ী বিনয়ী ভাব। কথাবার্তায় নতুন কিছু করার প্রতিশ্রুতি। এটা চলতে পারে না।”
বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে পুরভোটে লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়-কাকলি ঘোষদস্তিদাররা। তাঁদের দাবি, NDA-এর যখন শরিক তাঁরা। সেই হিসেবে বিজেপির সঙ্গে জোট করতেই হবে। যদিও কাকলিদের এনসিপিআই সাংসদ হিসেবে এখনও মান্যতা দেননি লোকসভার স্পিকার। এদিকে অবশ্য, বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে পুরভোটে লড়ার জল্পনায় জল ঢেলে দিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “তৃণমূল নির্মূল হয়ে গিয়েছে। তৃণমূলের নেতারা বিভিন্ন নেতারা ফের ঘুরে আসতে চাইছেন। কেউ কেউ বলছে আমরা এক হয়ে গিয়েছি। কেউ নিজেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে দিয়েছেন। তৃণমূল তৃণমূলকে মারছে। ডিম ছোড়ার কালচার তো কোনওদিন পশ্চিমবঙ্গে ছিল না। এর নাম তৃণমূল কংগ্রেস। এ তো চলতে পারে না। এর বাইরে বেরিয়ে আসতে হবে।”