
কলকাতা:মুখ্যমন্ত্রীর মৃত্যু কামনা করেছিলেন নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। কখনও আবার তাঁর বক্তব্যে শোনা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কটূ মন্তব্য। উপনির্বাচনের দিনও মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করতে ছাড়েননি। এরপর হুমায়ুনের গ্রেফতার হওয়া, রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার ইঙ্গিত…এই নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে চর্চা চলছে রাজনৈতিক মহলে। এবার এই নিয়ে মুখ খুলেছেন শুভেন্দু। তাঁকে বারবার আক্রমণ করা হলেও, হুমায়ুনকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতে নারাজ শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, হুমায়ুন তাঁর ‘কলিগ’। তিনি কেন তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন?
রাজনৈতিক অবস্থান আলাদা হলেও বিধানসভার সদস্য হিসেবে হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে তাঁর সহকর্মীর সম্পর্ক রয়েছে, এমনটাই স্পষ্ট করেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, হুমায়ুন যতদিন বিধায়ক পদে রয়েছেন, ততদিন তিনি বিধানসভার সহকর্মী। তাই তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে ছোট করার কোনও কারণ দেখছেন না মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “উনিও আমার কলিগ, বিধানসভার বিধায়ক নওদা, যতক্ষণ বিধায়ক রয়েছেন, ততক্ষণ পর্যন্ত কলিগ। আমি কেন তাঁকে নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করব?”
উল্লেখ্য, উপনির্বাচনের দিনই ভোট লুঠের অভিযোগ হুমায়ুন। ৬ তারিখ একেবারে সকাল থেকে লাইমলাইটে ছিলেন তিনি। পুলিশের বিরুদ্ধে ভোট লুঠের অভিযোগ তুলে গ্রেফতারও হন। তারপর থেকেই তাঁকে কখনও বলতে শোনা গিয়েছে,বিধানসভায় যাবেন না, কখনও বলছেন বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেবেন, আবার কখনও বলছেন রাজনীতিই ছেড়ে দেবেন। এদিকে, উপনির্বাচনের রেজাল্টের দিন দেশ ছাড়ার কথা বলেছেন হুমায়ুন। এই বিষয়ে নওদার বিধায়ক বলেন,”ভারত ছেড়ে দুবাই চলে যাব। এখন আমার কাজ বাবরি মসজিদটা করা আর অধীর চৌধুরীকে ভোটে হারানো।”