CM Suvendu Adhikari: ‘কত ভ্যাকেন্সি রয়েছে, তালিকা তৈরি করুন’, এবার রাজ্যে নিয়োগ নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

WB Job Recruitment: মঙ্গলবার সল্টলেকের বনবিতানে অরণ্য উৎসবের উদ্বোধন করতে এসে মুখ্যমন্ত্রী বনমন্ত্রী মনোজ ওরাওঁকে বললেন, "বনদফতরের অনেকেই রয়েছেন, যাঁরা অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন। তাঁদের অনেক কিছুর অভাব রয়েছে। কর্মী নেই। পরিকাঠামো নেই। এই অবস্থায় কাজ করে যেতে হচ্ছে।"

CM Suvendu Adhikari: কত ভ্যাকেন্সি রয়েছে, তালিকা তৈরি করুন, এবার রাজ্যে নিয়োগ নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
অরণ্য সপ্তাহ উদযাপনে মুখ্যমন্ত্রীImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Jul 14, 2026 | 12:15 PM

কলকাতা:  নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে নয়া সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রীর। বনদফতরের নিয়োগ এবার পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে, ঘোষণা শুভেন্দুর। বিগত তৃণমূল আমলে বনদফতরে নিয়োগ নিয়ে বারবার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূল থেকে বেরিয়ে গিয়ে বিজেপিতে যোগদান করে এই অভিযোগকে আরও উস্কে দিয়েছিলেন প্রাক্তন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।

পালাবদলের পর রাজ্যে বনদপ্তরে নিয়োগ নিয়েন নয়া সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের অধীনে এবার থেকে হবে বনদফতরের নিয়োগ। সিদ্ধান্ত নিয়ে জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

মঙ্গলবার সল্টলেকের বনবিতানে অরণ্য উৎসবের উদ্বোধন করতে এসে মুখ্যমন্ত্রী বনমন্ত্রী মনোজ ওরাওঁকে বললেন, “বনদফতরের অনেকেই রয়েছেন, যাঁরা অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন। তাঁদের অনেক কিছুর অভাব রয়েছে। কর্মী নেই। পরিকাঠামো নেই। এই অবস্থায় কাজ করে যেতে হচ্ছে।”

বনমন্ত্রীকে তিনি বলেন, “কত ভ্যাকেন্সি রয়েছে, কি পরিকাঠামোর প্রয়োজন, তার যাবতীয় তালিকা তৈরি করে মুখ্য সচিবের কাছে জমা দিতে। যে পরিমাণ কর্মী সংখ্যার অভাব রয়েছে, নতুন করে নিয়োগ করা হবে।”

প্রসঙ্গত, বনমন্ত্রী থাকাকালীন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে বন সহায়ক পদে নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতি অভিযোগ উঠেছিল। প্রায় দু’হাজার শূন্য পদে নিয়োগ হওয়ার কথা ছিল। নিয়োগ হয়েছিল অস্বচ্ছতার মাধ্যমে। কলকাতা হাইকোর্ট পুনরায় সেই ইন্টারভিউয়ের নির্দেশ দেয়। বনদফতর সব থেকে বড় দুর্নীতি হয়েছিল এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায়।

তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে এই নিয়োগ হবে। যাতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সঠিকভাবে হয়ে থাকে। স্বাভাবিকভাবেই মুখ্যমন্ত্রী এই বক্তব্য নিয়োগ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনবে বলে মনে করছে বিভিন্ন মহল।

তৃণমূল সরকারকে দুষে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সব কিছুই শেষ করে গিয়েছেন আপনারা। বন-জঙ্গল বলতে কিছুই নেই। সব বিক্রি করে দিয়েছেন। বাঁকুড়া-পুরুলিয়া-ঝাড়গ্রাম, এই তিন জেলা মিলিতভাবে অরণ্য সুন্দরী বলা হয়। কিন্তু সেই জেলাগুলিতে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর অবস্থা হয়ে রয়েছে।”

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “আকাশ পথ দিয়ে যাওয়ার সময় রাজ্যের জঙ্গল অধ্যুষিত এলাকা গুলি চোখে পড়লে রীতিমতো চিন্তা বাড়ছে। কিছুই রাখেনি বিগত আমলের সরকার।” সবকিছুই লুটে নিয়ে গিয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে বাংলায় ৭ কোটি ৫০ লক্ষ গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পঞ্চায়েত সদস্যদের ১ হাজার করে ও বিধায়কদের ১ লক্ষ টার্গেট বেঁধে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

Follow Us