CM Suvendu Adhikari: সরকারি চাকরি প্রদান! রাজনৈতিক হিংসায় নিহতদের পরিবারের জন্য বড় সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর

Jobs for Political Violence Victims' Families: সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির মধ্য থেকে এক জন সদস্যকে সরকারি চাকরি দেওয়া হবে। এর জন্য খুব শীঘ্রই প্রশাসনিক স্তর থেকে বিজ্ঞপ্তি বা বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হবে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলিকে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে চাকরির আবেদন জমা দিতে হবে।

CM Suvendu Adhikari: সরকারি চাকরি প্রদান! রাজনৈতিক হিংসায় নিহতদের পরিবারের জন্য বড় সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Oct 30, 2026 | 3:02 PM

কলকাতা: রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসায় নিহতদের পরিবারের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। বিগত ২৫ বছরে ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক হিংসায় প্রাণ হারানো ব্যক্তিদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে বিশেষ চাকরির ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কেবল তৃণমূল জমানার ক্ষতিগ্রস্তরাই নন, বরং বাম আমলেও রাজনৈতিক হিংসার শিকার হওয়া পরিবারগুলিকেও এই সহায়তার আওতায় আনা হচ্ছে।

কীভাবে আবেদন জানানো যাবে? 

সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির মধ্য থেকে এক জন সদস্যকে সরকারি চাকরি দেওয়া হবে। এর জন্য খুব শীঘ্রই প্রশাসনিক স্তর থেকে বিজ্ঞপ্তি বা বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হবে।  বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলিকে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে চাকরির আবেদন জমা দিতে হবে। সেখানে তাঁকে সমস্ত তথ্য লিপিবদ্ধ করতে হবে। সেই নথি জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে জমা করা হবে নবান্নে।

বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “রাজ্যের মানুষ জানেন, গত ২৫ বছরে কীভাবে ভোটের নামে বাংলায় অত্যাচার হয়েছে। ভোট পরবর্তী হিংসায় খুন হয়ে যাওয়া যেন নিউ নর্মাল হয়ে গিয়েছে। রক্তপাতহীন এবারও হয়েছে। অতীতে যাঁদের রক্ত হয়েছে, তাঁদের কাছে সরকারের এই ঘোষণা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।”

সিপিএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য অবশ্য প্রশ্ন তুলেছেন, “হঠাৎ বাম জমানার ১০ বছর কেন হল? এর যুক্তি কোথায়? সরকারি চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে কমপেনসেট চাকরি তো হয়। কিন্তু আসলে ওরা চাইছে ঘুরপথে বিজেপি কর্মীদের চাকরি দিতে। কারণ ১৫ বছরে যাঁরা মারা গিয়েছেন, তাঁরা তো সব বিজেপি কর্মী হয়ে গিয়েছে। সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে মূলত বিচার বিবেচনা হওয়া উচিত, প্রশাসনের সুবিধা। এটার মধ্যে কোনওরকম সাংবিধানিক নৈতিকতার চিহ্ন আমি দেখতে পাচ্ছি না।”

কিন্তু এভাবে কি স্থায়ী চাকরি দেওয়া যায়? সে প্রশ্ন তুলেছেন জয়নগরের সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল। তিনি বলেন, “এর আগেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক হিংসার কারণে নিহতের পরিবারের একজনকে চাকরি দিয়েছেন। আমার কেন্দ্রের একজন, যিনি খুন  হয়েছিলেন হরিয়ানায়, গো মাংস ভক্ষণের সন্দেহে খুন হয়েছিলেন বলে অভিযোগ, তাঁর স্ত্রীকেও চাকরি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এই সরকার আসার পর তাঁর চাকরি চলে যায়। এটা কি স্থায়ী চাকরি দেবেন বলছেন? এটা কীভাবে হয়? পরীক্ষা দিয়ে তো স্থায়ী চাকরি পাওয়া যায়। যিনি লিখিত না মৌখিক কোনও পরীক্ষা না দিয়েই কীভাবে স্থায়ী চাকরি পাবেন? কীভাবেই বা সেই চাকরি দেওয়া যায়?”

একুশের নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী হিংসায় খুন হন অভিজিৎ সরকার। সেই খুন রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় ফেলে দেয়। আদালতে সেই মামলা এখনও বিচারাধীন। অভিজিতের দাদা বিশ্বজিৎ বলেন, “রাজনৈতিক হিংসায় মৃত্যু, সে যে দলেরই হোক না কেন, তার পরিবার জানে কতটা কষ্টের! সেই কষ্ট এই মুখ্যমন্ত্রী বুঝেছেন। তাই কেবল তৃণমূল জমানার নয়, বাম জমানাকেও হিসাবে ধরেছেন। এটা সত্যিই ভালো উদ্যোগ।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us