WB Minister: আজও নিয়ম করে মাঠে যান, শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় জায়গা পেলেন কৃষক পরিবারের দিবাকর
Dibakar Gharami-Bankura: ১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পরেই দিবাকর ঘরামীর দাদু ও ঠাকুমাকে বরিশালের বাড়ি ছেড়ে চলে আসতে হয়েছিল এই দেশে। ঘুরতে ঘুরতে ঠাঁই হয়েছিল বাঁকুড়ার সোনামুখী ব্লকের দামোদর নদের তীরে কুরুমপুর গ্রামে। সেখানেই জন্ম দিবাকর ঘরামীর।

সোনামুখী: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) শপথ নেওয়ার দিনই মন্ত্রিসভা (Cabinet) নিয়ে চমক দেয় তৃণমূল। আদিবাসী, মতুয়া, রাজবংশী সমাজের প্রতিনিধিদের প্রথমেই গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আর এবার গঠন হল পূর্ণ মন্ত্রিসভা। শপথ নিলেন ৩৫ জন বিধায়ক। জায়গা পেয়েছেন বর্ষীয়ান নেতা থেকে বর্ধমানের পরিচারিকা। রাজ্যের প্রায় সব জেলার প্রতিনিধিত্ব রয়েছে সেই মন্ত্রিসভায়। আর সেই তালিকায় জায়গা পেয়েছেন বাঁকুড়ার কৃষক পরিবারের সন্তান দিবাকর ঘরামী (Dibakar Gharami)।
উদ্বাস্তু পরিবারে দারিদ্র্যই ছিল সঙ্গী
১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পরেই দিবাকর ঘরামীর দাদু ও ঠাকুমাকে বরিশালের বাড়ি ছেড়ে চলে আসতে হয়েছিল এই দেশে। ঘুরতে ঘুরতে ঠাঁই হয়েছিল বাঁকুড়ার সোনামুখী ব্লকের দামোদর নদের তীরে কুরুমপুর গ্রামে। সেখানেই জন্ম দিবাকর ঘরামীর। উদ্বাস্তু পরিবারে অভাবের সংসারে জন্ম হওয়ায় ছোট থেকেই সঙ্গী ছিল দারিদ্র্য। কৃষক পরিবারের সন্তান দিবাকর ঘরামীর দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে চাষাবাদ।
আজও নিয়ম করে মাঠে যান দিবাকর
সাধারণ কৃষক পরিবারে জন্ম ও বেড়ে ওঠা। স্বাভাবিকভাবেই আজন্ম যোগ মাটির সঙ্গে। ২০২১ সালে সোনামুখী বিধানসভা থেকে জয়লাভের পরও একদিনের জন্যেও মাটির সঙ্গে সেই যোগ ছিন্ন হয়নি। দিবাকর ঘরামী মন্ত্রী হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মাতোয়ারা গোটা পরিবার। তাঁকে ঘিরে চড়ছে এলাকার মানুষের প্রত্যাশার পারদও।
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সোনামুখী বিধানসভা থেকে জয়লাভ করে বিধায়ক হওয়ার পরেও জমির সাথে ছিন্ন হয়নি নিজের যোগ। এখনও নিত্যদিন তিনি মাঠে যান। চাষের জমিতে জল দেন। প্রতিদিন সকালে মাঠে গিয়ে ফসলের পরিচর্যা করা তাঁর দৈনন্দিন রুটিন। এবারও তাঁকে দল টিকিট দেয়। আর এবার তিনি ঠাঁই পেলেন রাজ্যের মন্ত্রিসভায়। তাঁকে ঘিরে বাড়ছে এলাকার মানুষের প্রত্যাশার পারদ।
কী বলছেন দিবাকর
মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দিবাকর বলেন, “সোনামুখীতে যা যা কাজ দিয়েছে, সব কর্মীদের নিয়ে আমরা চেষ্টা করেছি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করার। দল এত বড় সম্মান দিয়েছে। ধন্যবাদ জানাই। আমাদের মতো মানুষকে দায়িত্ব দেওয়া, একমাত্র বিজেপির পক্ষেই সম্ভব।”
